মতামত

কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন

কাদা ছোড়াছুড়ি নয়, গণতন্ত্রকে জয়ী করুন

আর মাত্র দুই সপ্তাহ পর বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই বিপ্লব-পূর্ব প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে এক যুগে প্রধান রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া ও ভোটারবিহীন তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক দলগুলোর সরব অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ১২ কোটি ৭৭ লাখের বেশি ভোটার একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে বাধাহীনভাবে ভোট প্রদানের সুযোগ লাভ করতে যাচ্ছে। সারা দেশে নির্বাচনের উৎসবমুখর আমেজ বিরাজ করছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

একের উত্থান অপরের পতন

একের উত্থান অপরের পতন

পুঁজিবাদ যে মৌলবাদকে পুষ্ট করে সে ব্যাপারটা অস্পষ্ট নয়, যদিও তাকে অস্পষ্ট রাখার চেষ্টা চলে। পুঁজিবাদ দারিদ্র্য-বৈষম্য এবং অজ্ঞতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধি করে থাকে। দারিদ্র্য ও অজ্ঞতা মৌলবাদের প্রধান আশ্রয়। পুঁজিবাদী বৈষম্য দারিদ্র্য উৎপাদনের কারণ এবং ওই বৈষম্য গরিব মানুষকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।

আপু না স্যার— সম্বোধন বিভ্রাট

আপু না স্যার— সম্বোধন বিভ্রাট

সম্বোধন নিয়ে জটিলতার ঘটনা বঙ্গমুল্লুকে একেবারে কম নয়। বরং, এটি আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের নিত্যসঙ্গী। একটি উপজেলার ইউএনও একজন নারী। তাঁকে ‘আপু’ ডাকায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

‘সমরে আমরা শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা, দেশের তরে’ এই দীপ্ত স্লোগান বুকে ধারণ করে ১৯৭১ সালে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সময়ের পরিক্রমায় এখন জাতির আশা ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলো থেকে শুরু করে অদ্যাবধি প্রতিটি সংকটকালে দেশ ও জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে নির্ভীকভাবে এই বাহিনী।

জনমনে আস্থা ফেরাতে মব নিয়ন্ত্রণ জরুরি:আহসান হাবিব বরন

জনমনে আস্থা ফেরাতে মব নিয়ন্ত্রণ জরুরি:আহসান হাবিব বরন

দীর্ঘদিনের কর্তৃত্বপরায়ণ ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল যে এবার হয়তো একটু শান্তিতে বসবাস করা যাবে। কিন্তু বিধিবাম। স্বস্তির বদলে আমাদের সামনে এক জলজ্যান্ত বিভীষিকা হয়ে দেখা দিল-মব।

শোকের ছায়ায় নতুন বছর : সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ

শোকের ছায়ায় নতুন বছর : সম্ভাবনার পথে বাংলাদেশ

একজন নন্দিত অভিসংবাদিত ও কিংবদন্তি বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের মুহূর্তেই আমরা পা রাখছি নতুন বছরে। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বেগম জিয়ার আপসহীনতার যে সমুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা কি সেই আলোয় আলোকিত হব নাকি অন্ধকারই থেকে যাব? আমি মনে করি জাতি হিসেবে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে যে আমরা কোথা থেকে এলাম, কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, আর কোথায় যেতে চাই। বছরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে নতুন বছরের সূচনালগ্নে এই আত্মসমীক্ষা তাই কেবল শোকের নয় বরঞ্চ খুলে দিতে পারে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার।

গোপন মিটিং করলে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানের মাহাত্ম্য থাকে—প্রশ্ন তারেকের

গোপন মিটিং করলে ‘দিল্লি না ঢাকা’ স্লোগানের মাহাত্ম্য থাকে—প্রশ্ন তারেকের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ২০২৫ সালের শুরুর দিকে ভারতের একজন কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কথা বলেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। তিনি বলেন, জামায়াতের ভাই-বন্ধুরা অপেক্ষা করছিলেন এ বিষয়ে বক্তব্য আসবেই। এবার আমি তো নিয়েই আসলাম।

ক্ষণজন্মা দেশমাতার মহাপ্রয়াণ

ক্ষণজন্মা দেশমাতার মহাপ্রয়াণ

৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ এক শোক বিহ্বল ও বেদনা-বিধুর দিন। জাতি হারাল তার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে। দেশবাসী শোকে অসহায় ও কাতর। গণতন্ত্রের জন্য যে মহান ব্যক্তিটি নিজের ঘর-সংসার, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, সন্তানের মায়া ত্যাগ করে দেশের ভাগ্যহত মানুষদেরকে স্বজন ভেবে স্বদেশের মাটি আঁকড়িয়ে বেঁচে ছিলেন, তা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এটাই এনসিপির রাজনীতি, এতদিন নাটক করেছে : সিনিয়র সাংবাদিক  মাসুদ কামাল

এটাই এনসিপির রাজনীতি, এতদিন নাটক করেছে : সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, আসলে এনসিপির রাজনীতিটা এরকম, তারা এটাই করতে চেয়েছিল। এতদিন তারা যে সমস্ত কথাবার্তা বলেছে তার অধিকাংশ ছিল নাটক। এতদিন তারা কি বলেছে? তারা একটা মধ্যপন্থা দল হিসেবে নিজেদেরকে আবির্ভূত করার চেষ্টা করেছে। তারা একটা গণতান্ত্রিক মধ্যপন্থা টাইপের দল।

হলুদ সাংবাদিকতা বনাম শিক্ষক-সাংবাদিকতা: পেশার মর্যাদা রক্ষায় কোন পথ?

হলুদ সাংবাদিকতা বনাম শিক্ষক-সাংবাদিকতা: পেশার মর্যাদা রক্ষায় কোন পথ?

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়, যার মূল প্রাণশক্তি হলেন সাংবাদিকেরা। এই স্তম্ভের প্রধান দায়িত্ব হলো জনস্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন, সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরা এবং ক্ষমতাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা। 

খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক

খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক

বাংলাদেশের নেতৃত্বের আকাশে যে কয়জন নক্ষত্র ছিলেন বা আছেন, তাঁদের মধ্যে খালেদা জিয়া স্বমহিমায় একটি পৃথক স্থান করে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির বন্ধুর পথ হেঁটেছেন এবং তিল তিল করে নিজ মেধা, শ্রম, ত্যাগ এবং ভালোবাসা দিয়ে নিজের এমন একটি পোর্ট্রেট এঁকেছেন, যেটিকে বলা যায় তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি হয়েছেন গণতন্ত্রের কাণ্ডারি, তিনি হয়েছেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক।

প্রশাসনের দ্বিমুখী নীতি: 'শক্তের ভক্ত নরমের যম'- শিক্ষক বনাম সচিবালয়!

প্রশাসনের দ্বিমুখী নীতি: 'শক্তের ভক্ত নরমের যম'- শিক্ষক বনাম সচিবালয়!

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে চাকরি করেন। জাতিকে পথ দেখানো এই কারিগরদের বেতন-ভাতা, মর্যাদা এবং পদোন্নতির সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।