প্রশান্ত মহাসাগরে মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলা, নিহত ২
ছবি: সংগৃহীত
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক চোরাচালানের অভিযোগে একটি নৌযানে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এই হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বার্তা সংস্থা এএফপি ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
মার্কিন দক্ষিণ কমান্ড (সাউথকম) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া গেছে , ওই নৌযানটি পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক চোরাচালানের জন্য পরিচিত একটি রুট দিয়ে মাদক পাচার করছিল।
সাউথকমের শেয়ার করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। হামলার আগে ওই নৌযানে তিনজনকে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত নৌযানটি থেকে নিখোঁজ হওয়া তৃতীয় ব্যক্তিকে উদ্ধারে কোস্টগার্ড তল্লাশি চালাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে মাদক চোরাচালানকারী নৌযান লক্ষ্য করে অভিযান শুরু করে। ভেনেজুয়েলার ‘মাদক-সন্ত্রাসীদের’ নির্মূল করতেই তাদের এই অভিযান বলে জানানো হয়। তবে এসব অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না মেলায় এর বৈধতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সাউথকমের শেয়ার করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। হামলার আগে ওই নৌযানে তিনজনকে দেখা যায়। ক্ষতিগ্রস্ত নৌযানটি থেকে নিখোঁজ হওয়া তৃতীয় ব্যক্তিকে উদ্ধারে কোস্টগার্ড তল্লাশি চালাচ্ছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে মাদক চোরাচালানকারী নৌযান লক্ষ্য করে অভিযান শুরু করে। ভেনেজুয়েলার ‘মাদক-সন্ত্রাসীদের’ নির্মূল করতেই তাদের এই অভিযান বলে জানানো হয়। তবে এসব অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না মেলায় এর বৈধতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, বেসামরিক ব্যক্তিদের ওপর এই ধরনের হামলা বিচারবহির্ভূত হত্যার শামিল। কারণ এই নৌযানগুলো আমেরিকার জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি সৃষ্টি করছিল না।
গেল বছরের শেষ দিকের পর এটিই প্রথম বড় ধরনের মার্কিন হামলা। বিশেষ করে জানুয়ারির শুরুতে কারাকাসে এক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর এটিই প্রথম বড় সামরিক পদক্ষেপ।