কক্সবাজারে ২০ গ্রাম প্লাবিত: এক শিশুর মৃত্যু, সতর্ক থাকতে মাইকিং
ফাইল ছবি
টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারের ২০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চকরিয়া উপজেলার কাকারা, কৈয়ারবিল, লক্ষারচর ও ফাশিয়াখালী ইউনিয়ন, মাতামুহুরি উপজেলার পুর্ববড় ভেওলা, বিএমচর ইউনিয়ন, রামু উপজেলার গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, রাজারকুল ইউনিয়নসহ বিভিন্ন গ্রামে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। মাতামুহুরি ও বাকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢলে জলাবদ্ধতা তৈরী হওয়ায় জেলার অন্তত লক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজারে বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। চট্টগ্রামের ষোলোশহর, বোয়ালখালী ও পটিয়া এলাকায় রেল লাইনের ওপর দিয়ে ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ায় কক্সবাজারের সঙ্গে সারা বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।
এদিকে, টানা বর্ষণের কারণে বেড়েছে পাহাড় ধসের শঙ্কা। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্কতা জারি করা হয়।
ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভোর ৬টা নাগাদ গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যা মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ছিল ১২৯ মিলিমিটার এবং তার আগের দিন ১৫০ মিলিমিটার। তবে আরও দুইদিন অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, অতিবৃষ্টির কারণে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দুর্যোগ প্রবণ এলাকা থেকে মানুষকে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নীচে অবস্থান করছে।