রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় দু’শো কিলোমিটার (১২০ মাইল) দক্ষিণে অবস্থিত তুলা শহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।
ইউক্রেন
ইউক্রেন তেল শোধনাগার ও একটি পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্টে হামলা চালায়, অন্যদিকে রাশিয়া রেল স্টেশন ও বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনে হামলা চালায়।
‘বিপজ্জনক মোড়’ নিয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত। ঐতিহাসিক চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন একটি এলাকাকে নিশানা করেছে মস্কো।
রাশিয়ার বৃহত্তম শহরে কিয়েভের এই হামলা ‘অবাক’ করেছে মস্কোকে।
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করতে কিয়েভকে আপসের আহ্বান জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, রুশ বাহিনী প্রতিদিন যুদ্ধক্ষেত্রে অগ্রসর হচ্ছে এবং ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও বিস্তৃত করছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার জন্য প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে মুখোমুখি বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছেন।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসের মধ্যে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরজুড়ে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ বাহিনীর বিশেষ সামরিক অভিযানে ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রায় ১ হাজার ৩২০ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
চারদিকে ধুলোর ঝড়, সাইরেনের আর্তনাদ, ঝাপসা স্ক্রিনে কয়েক সেকেন্ডের বিরতি এবং তার পরেই এক বিধ্বংসী বিস্ফোরণ। মাটির নিচের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মাইলের পর মাইল দূরে বসে ‘গেমার চেয়ার’ এ হেলান দিয়ে এই ধ্বংসযজ্ঞ দেখছেন ইউক্রেনের যুদ্ধজয়ী সেনারা।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কিয়েভের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে যেখানে ইঙ্গিত মিলেছে যে রাশিয়া নতুন করে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।