অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া হল না রোহিত-কোহলিদের। টানা দশ ম্যাচ জয়ের হাসি নিমেষে উধাও। অপেক্ষা বাড়ল আরও। এক যুগ পর বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল ভারত।
কোহল
ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য রোববার ছিল স্মরণীয় একটি দিন। এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওডিআইতে ৪৯তম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে শচীন টেন্ডুলকারকে ছুঁয়ে নিজের ৩৫তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন বিরাট কোহলি।
অবশেষে ৪৯তম সেঞ্চুরি করে কিংবদন্তি শচিন টেন্ডুলকারের পাশে বসে বিরাট কোহলি। এর পিছনে ২৭৭ ইনিংস সময় লাগল তার। জন্মদিনে সেঞ্চুরি করা ৭ম ব্যাটসম্যান তিনি। আর সেটা বিশ্বকাপ মঞ্চে করা তৃতীয় ব্যাটসম্যান। শচিনে সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ওয়ানডে সেঞ্চুরির মালিক বনে অপরাজিত থাকেন ১২১ বলে ১০১ রানে।
চাপ সামলে ব্যাটিং করতেই যেন বেশি পছন্দ বিরাট কোহলির। বিশেষ করে রান তাড়া করে ম্যাচ জেতানোয় তিনি যেন সিদ্ধহস্ত।
ধীরে ধীরে জমে উঠছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ব্যাটে বলে লড়াই। বোলিংয়ে কোনো দল এখনো একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি।
এ বারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন রোহিত শর্মা। রবিবার ভারতীয় দলের অধিনায়ককে টপকে গেলেন বিরাট কোহলি। প্রথম পাঁচ জনের মধ্যে রয়েছেন দু’জন ভারতীয়। তৃতীয় জন পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ান। বাকি দুই নিউজিল্যান্ডের রাচিন রবীন্দ্র এবং ড্যারিল মিচেল।
বিশ্বকাপ মিশনটা জয় দিয়ে শুরু করলেও টানা দুই হারে কোনঠাসা হয়ে যায় বাংলাদেশ দল। চতুর্থ ম্যাচেও বিরাট কোহলির সেঞ্চুরিতে স্বাগতিক ভারতের কাছে ৭ উইকেটের বড় হারে সেমির স্বপ্ন থেকে আরও দূরে সড়ে গেল বাংলাদেশ। টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে রোহিতের দল।
বিশ্বকাপে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে শনিবার বাবর আজমদের বিপক্ষে হেসেখেলে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত।
ধসে পড়া ভারত শিবিরের হাল ধরে দেশকে জিতিয়েছেন শক্ত হাতের বিরাট কোহলি। অস্ট্রেলিয়ার করা ১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ২ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত।
ক্রিকেট খেলা শুরু করার পর থেকেই বেশ আবেগপ্রবণ বিরাট কোহলি। রাগ, হতাশা, দুঃখ, আনন্দ, মাঠে সবকিছুরই বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়।