বাজারে আরেক দফা বাড়ছে প্যাকেটজাত ও খোলা চিনির দাম। নতুন করে এ দফায় প্রতি কেজিতে পাঁচ টাকা করে দাম বাড়বে। যা কার্যকর হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ।
চিনি
বাজারে অন্যান্য নিত্যপণ্যের সাথে গরিবের আমিষ বলে খ্যাত ডাল এখন নাগালের বাইরে চলে গেছে। প্রতি কেজি মোটা দানার মসুর ডাল এখন ১১০ টাকায় উঠে গেছে। মাঝারি দানা ১২০ টাকা এবং ছোট দানার মসুর ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
দেশের বাজারে আরেক দফা বাড়লো সয়াবিন তেল ও চিনির দাম। সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে বেড়েছে ১২ টাকা।
বাজারে চিনি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া খুব শিগগিরই আরও ১ লাখ টন চিনি আমদানি করা হচ্ছে।
চিনির দাম কেজি প্রতি ছয় টাকা বাড়ানো হয়েছে। তবে পাম অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ৮ টাকা কমানো হয়েছে।খোলা চিনির দাম প্রতি কেজি ৯০ টাকা, আর প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটারে ৮ টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা করা হয়েছে।
খোলা ও প্যাকেটজাত চিনি এবং পাম তেলের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকা, খোলা চিনি ৮৪ এবং পাম তেলের লিটার ১৩৩ টাকায় বিক্রি হবে।
অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে গমের পর এবার চিনি রফতানি সীমিত করার পরিকল্পনা করছে ভারত। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।
পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় মাত্রায় রাখতে আমদানিকৃত ভোজ্যতেল, চিনি ও ছোলার ওপর ভ্যাট প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
খাবারের টেবিলে অনেকেরই পাতে অতিরিক্ত লবণ নেয়া বা চায়ের বাড়তি চিনি নেয়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প মাত্রার এরকম কাঁচা লবণ বা চিনি আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
শীতকালে অনেকেরই দেখা দেয় ত্বকের নানারকম সমস্যা। এসব সমস্যার মধ্যে র্যাশ বা ব্রণ হলো অন্যতম। নিয়মিত নারিকেল তেল আর দারুচিনির ব্যবহারে কমতে পারে এর সমাধান।