এক কাপ চা আপনাকে সতেজ করে তুলতে পারে। এনে দিতে পারে ফুরফুরে মেজাজ। একইসাথে ডায়াবেটিসের মতো অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও চায়ের জুড়ি নেই।
ডায়াবেটিস
যারা সপ্তাহে একটি ডিম খান তাদের তুলনায় যারা সপ্তাহে চারটি ডিম খান তাদের টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৩৭ ভাগ কম। ‘দ্য আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’ এ প্রকাশিত এক গবেষণায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে।
ছোটবেলায় দাদা-দাদুরা বলতেন তিতা খাওয়ার অনেক গুণ। সেই কারণে কম বয়স থেকেই পাতে তেঁতো রাখার স্বভাব অনেকের। কিন্তু ডায়াবিটিসের সমস্যাতেও যে এই তিতার এত উপকারী, তা জানা ছিল কি?
ডায়াবেটিস রোগীরা কি আম খেতেই পারবেন না? ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের আম দেখলে খেতে ইচ্ছা করে ঠিকই, কিন্তু মুখে লাজ রাখতে হয়। কারণ, আম চর চর করে বাড়িয়ে দেবে শরীরে সুগারের মাত্রা।
আমাদের সকলের পক্ষে বিশ্বাস করা খুবই কঠিন যে দুধ স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ। বরং ছোটবেলা থেকে আমরা সকলেই জেনে এসেছি যে দুধ একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্য। প্রাণিজ দুধ মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর, এই কথা শুনলে অবাক হয়ে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই।
সম্পর্ক মধুর হওয়া ভালো তবে মধুমেহ রোগে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা উচিত। আর এই কারণে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি না তা বোঝার জন্য কিছু লক্ষণের দিকে খেয়াল করতে হবে।
ক্যালোরি প্রায় তৈরি করে না বলে চিনি খাওয়ার চেয়ে স্যাকারিন, অ্যাসপার্টেম, সুগার ফ্রি-র মতো কৃত্রিম সুইটেনার বা ‘নকল চিনি’ মানুষের পক্ষে কিছুটা স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
কলা আমাদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কতটা জরুরি তা সবাই জানি। তবে কলার ফুলও যে শুধুই সুস্বাদু তা নয়, এতেও রয়েছে হাজার পুষ্টিগুণ। তাই মোচাকেও এবার থেকে আর অবহেলা নয়। কারণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে কলার মোচা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
আলু এমন একটি সবজি যা সকল তরকারির সাথে যায়। বিশেষ করে বাঙালীদের কাছে আলুর প্রতি প্রেম একটু অন্যরকমই। সবজির ঝুড়িতে হোক বা তরকারী, আলু না হলে চলে না আমজনতার। তবে ডায়াবেটিস বা অন্যান্য কারণে অনেকেই মাটির নীচের এই সবজিটির থেকে দূরে থাকেন।
জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন কারণ অনেক ডায়াবেটিস রোগী ‘কোভিড-১৯ এর মারাত্মক রোগে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।’