নবীজি

নবীজির ওপর দরুদ পাঠের ফজিলত ও উপকারিতা

নবীজির ওপর দরুদ পাঠের ফজিলত ও উপকারিতা

প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর ওপর দরুদ পাঠ ইসলামি শিক্ষায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় ইবাদত। কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা বলেন— ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে ঈমানদাররা! তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠ করো।’ (সুরা আহজাব: ৫৬)

আত্মরক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে যা বলেছেন নবীজি

আত্মরক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে যা বলেছেন নবীজি

ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও মানবিক জীবনব্যবস্থা। এটি যেমন অন্যায়-অবিচার ও জুলুমকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছে, তেমনি নিজের সম্মান, জীবন, সম্পদ ও স্বাধীনতা রক্ষায় আত্মরক্ষার অনুমতিও দিয়েছে। 

রাতে ঘুম না এলে যে দোয়া পড়তেন নবীজি

রাতে ঘুম না এলে যে দোয়া পড়তেন নবীজি

ঘুম আল্লাহ তাআলার বড় নেয়ামত। পবিত্র কোরআনে ঘুমকে আল্লাহ তাঁর অনুগ্রহ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং রাসুলুল্লাহ (স.) দ্রুত সময়ে রাতে ঘুমিয়ে যেতে বলেছেন। 

নবীজির ইতেকাফ যেমন ছিল

নবীজির ইতেকাফ যেমন ছিল

ইতেকাফ আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক বিশেষ আমল। ইতেকাফের বিধান অনেক প্রাচীন। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- ‘আমি ইবরাহিম ও ইসমাইলকে আদেশ করলাম, তোমরা আমার ঘরকে সেই সকল লোকের জন্য পবিত্র করো, যারা (এখানে) তাওয়াফ করবে, ইতেকাফ করবে এবং রুকু-সেজদা করবে।’ (সুরা বাকারা: ১২৫)

রমজানের শেষ দশকে নবীজির আমল

রমজানের শেষ দশকে নবীজির আমল

পবিত্র রমজানের শেষ দশক খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শেষ দশকে লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। রাসুলুল্লাহ (স.) এই দিনগুলোতে আমলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতেন। আমাদের উচিত, পবিত্র রমজানের এই দশককে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া। ইবাদত-বন্দেগি বাড়িয়ে দেওয়া। 

নবীজি সেহেরিতে কী খেতেন

নবীজি সেহেরিতে কী খেতেন

সেহেরি খাওয়া সুন্নত। রোজা রাখার উদ্দেশ্যে শেষরাতে ঊষা উদয়ের আগে যে পানাহার করা হয়, তা-ই সেহেরি। আল্লাহর রাসুল (স.) সেহেরি খাওয়ার জন্য উম্মতকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। বলেছেন, ‘তোমরা সেহেরি খাও। কেননা, সেহেরিতে বরকত রয়েছে।’ (সহিহ মুসলিম: ১/৩৫০)

রমজানে নবীজির পারিবারিক জীবন যেমন কাটত

রমজানে নবীজির পারিবারিক জীবন যেমন কাটত

মুসলিম উম্মাহর জন্য আদর্শ পরিবারের সর্বোত্তম দৃষ্টান্ত নবীজির পারিবারিক জীবন। নবীজি যেমন সাদা মনের মানুষ ছিলেন, তেমনি তাঁর পারিবারিক জীবনও ছিল সাদাসিধে।