হজরত ওসমান (রা.) যখন কোনো কবরের কাছে দাঁড়াতেন, কেঁদে দিতেন, তাঁর দাড়ি ভিজে যেত। একদা তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো- জান্নাত ও জাহান্নামের কথা স্মরণ হলে আপনি কাঁদেন না।
নবীজি
নবীজির উম্মত হতে পারা সৌভাগ্যের বিষয়। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দয়া করে নবীজির উম্মত বানিয়েছেন, সেজন্য আসুন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি- ‘আলহামদুলিল্লাহ।’
ইসলামে সুন্দর নাম রাখার বেশ গুরুত্ব রয়েছে। সুন্দর ও অর্থবোধক নাম রাখার তাগিদ দিয়ে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, কেয়ামতের দিন তোমাদের নিজ নাম ও পিতার নামে ডাকা হবে। সুতরাং তোমরা সুন্দর নাম রাখো। (আবু দাউদ: ৪৩০০)
ইসলামের ইতিহাসে লাইলাতুল মেরাজ অলৌকিক একটি ঘটনা। হিজরতের এক বা দেড় বছর আগে নবীজি যখন প্রিয়জন হারানোর বেদনায় ব্যথিত ছিলেন, কাফেরদের জুলুম-নির্যাতনে অতিষ্ঠ ছিলেন, তখন আল্লাহ তাআলা তাঁকে সান্ত্বনাস্বরূপ আরশে আজিমে আমন্ত্রণ করেন।
মহানবী (সা.) যে সময় মক্কায় ইসলাম নিয়ে এসেছিলেন তখন পৃথিবীর অন্যতম সুপার পাওয়ার ছিল পারস্য। পারস্যের লোকজন ছিল জরথুস্ট্র ধর্মের অনুসারী। কোনো কোনো ঐতিহাসিক বলেন, জরথুস্ট্র নবী ছিলেন। তার ওপর প্রেরিত আসমানি গ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।
প্রত্যেক মানুষ তার মাতৃভূমিকে ভালোবাসে। দেশপ্রেম হৃদয়ে ধারণ করে। এই ভালোবাসা মানুষের জীবনের শিকড়, স্মৃতি এবং তার পরিচয়ের সঙ্গে জড়িত।
শীতকাল মুমিনের খুব প্রিয়। কারণ এই মৌসুমে ইবাদতের সুযোগ বেশি। দিনে রোজা, রাতে নফল ইবাদতে এই মৌসুমকে ভালোভাবেই কাজে লাগান প্রকৃত মুমিনরা। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেছেন, ‘শীতকাল হচ্ছে মুমিনের বসন্তকাল।’
আম্বিয়ায়ে কেরামের পবিত্র মিছিলের সর্বশেষ ও সর্বোত্তম ব্যক্তিত্ব মানবতার অহংকার দুজাহানের সরদার রসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মানব ইতিহাসের সর্বোচ্চ আদর্শবান ও অনুকরণীয় সত্তা।
মক্কা থেকে মদীনা অভিবাসন বা হিজরত মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সা. এর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।এই ঘটনার এক উল্লেখযোগ্য অংশ হলো আল্লাহর রাসূল সা. এবং তাঁর প্রিয় সঙ্গী হজরত আবু বকর রা. এর গারে সাওরে অবস্থানের সময়।
কখনও মহান আল্লাহ তার প্রিয় বন্ধুকে ‘রহমত’ বলে সম্বোধন করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি তোমাকে (রাহমাতাল লিল আলামিন) বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি।’ -সুরা আম্বিয়া : ১০৭