মুহাম্মদ (সা.) এমন একসময় পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন, যখন পৃথিবী ঐশী আলো ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল।
নবী
ইসলামের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দুনিয়ার রাষ্ট্রগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন—দারুল ইসলাম (ইসলামী রাষ্ট্র), দারুল আমন (নিরাপদ রাষ্ট্র) ও দারুল খাওফ (ভীতিকর রাষ্ট্র)।
কোরআন নবী করিম (সা.)-এর উত্তম আদর্শকে আমাদের জন্য অনুপম শিক্ষা হিসেবে সমুজ্জ্বলভাবে তুলে ধরেছে।
বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের পাঞ্জারাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে আঞ্জুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন রাজধানী আবুধাবি শাখা ও মারকাজে আহলে সুন্নাত পরিচালনা পরিষদের যৌথ ব্যবস্থাপনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন করা হয়েছে।
ইসলামের পূর্ণতা ও আরব ভূখণ্ডে বিজয় সম্পন্ন হওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (স.)-এর আচরণ ও বক্তব্যে এমন কিছু লক্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে, যা তাঁর পার্থিব জীবনের সমাপ্তি ঘনিয়ে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। ইসলামি গবেষকদের ভাষায় এসব আলামতকে বলা হয় ‘তালাইউত তাওদি’ বা বিদায়ের সূচনাসমূহ।
জীবনের অন্তিম মুহূর্তের উপদেশগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে ইসলামে। মহানবী (স.) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে উম্মাহর জন্য যে অমূল্য অসিয়ত রেখে গেছেন, তা যুগ যুগ ধরে মুসলিম উম্মাহর জন্য পথনির্দেশিকা হিসেবে কাজ করছে। এখানে নবীজির ১৪টি মহামূল্যবান উপদেশ তুলে ধরা হলো।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে।
যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন।
আরবের আকাশে তখনো ভোর হয়নি। অন্ধকার শুধু রাতের নয়, ছায়া হয়ে নেমে এসেছিল মানুষের হৃদয়ে।