বাংলাদেশে প্রতি বছর বজ্রপাতে গড়ে ১৬৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়। কিন্তু বজ্রপাত প্রতিরোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। আর প্রকল্পের নামে অর্থের অপচয় হলেও বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না।
বজ্রপাতে
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে মাঠ থেকে গরু নিয়ে ফেরার পথে দুইটি গরুসহ এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের চর-বড়বাড়িয়া এলাকায় এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে নিহত গৃহবধূ ওই গ্রামের শাহীনের স্ত্রী সিমা খাতুন।
বগুড়ার নন্দীগ্রামে উপজেলার পল্লীতে বজ্রপাতে লোকমান আলী (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।শনিবার বিকালে উপজেলার বুরইল ইউনিয়নের সিংজানি ময়নাখা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লোকমান ঐ গ্রামের মৃত
প্রতিবেশী ভারতেও আঘাত হেনেছে কালবৈশাখী ঝড়। দেশটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গজুড়ে দফায় দফায় বৃষ্টি হয়। এদিন দুপুরের পর থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামে। আর তাতেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি শুরু হয়।
সাতক্ষীরায় বজ্রপাতে মো. মহসিন নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। সোমবার সাতক্ষীরার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সিলেটে বজ্রপাতে ৯ কৃষকের প্রাণহানি হয়েছে। রোববার সকালে হাওরে ধান কাটতে গিয়ে এই তিন জেলার বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা বজ্রপাতের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে বাবুল ভূইয়া (৪৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বজ্রপাতে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টায় উপজেলার ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের মৈত্রী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
শরীয়তপুরে খামারে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ মার্চ) ইফতারির আগ মুহূর্তে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলায় বাড়ির সামনে জমিতে মাটি কাটার সময় বজ্রপাতে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুই কৃষক।