হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলার হাওরে আজ মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে দুইজন নিহত হয়েছে।
শনিবার দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটে।
বজ্রপাতে
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে বাড়ির সামনে বজ্রপাতে জৈন উদ্দিন (৫২) নামের ওই কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের বুবরাপুর গ্রামের বাসিন্দা।
সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদে মাছ ধরতে গিয়ে হাওরে বজ্রপাতে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
গতকাল শনিবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে জালালাবাদ ইউনিয়নের পুরান কালারুকা (লামাগাঁও) এলাকার ফাটাবিলে এ ঘটনা ঘটে।
বজ্রপাতে ভারতের বিহারের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে।
বন্যা পরিস্থিতিতে পানিতে ডুবে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, বজ্রপাত ও টিলাধসে এক সপ্তাহে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে কমপক্ষে ২০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। প্রকৃতপক্ষে এই সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। তবে, দুই জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় সব তথ্য পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কচুয়ায় জমিতে ধানের চারা রোপণ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।সোমবার সকালে উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বাদাম তোলার সময় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সুন্দর পাহাড়ি গ্রামে বজ্রপাতে তিনশিশু নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরো অন্তত আট শিশুসহ ৯ জন।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন রবীন্দ্র দাস (৫৫) ও টিপু দাস (২৫)।
কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে খলায় রাখা ধান ঢাকতে গিয়ে বজ্রপাতে মা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে তাড়াইল উপজেলার বেলংকা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কৃষি জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষক মুকুল খা ও তার ছেলে মাসুদ খা মারা গেছেন। এ সময় আরও দুজন আহত হয়েছেন।