ভারতের উত্তর প্রদেশে ভয়াবহ ধুলিঝড়, ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতে অন্তত ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭২ জন।
বজ্রপাত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ফাহাদ হোসেন (১৫) নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বিনাউটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বজ্রপাতে শহিদুল ইসলাম (৬০) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন।
চাঁদপুরের কচুয়ায় মাঠ থেকে ধান আনতে গিয়ে বজ্রপাতে পদ্মা রানী (৫৫) নামে কৃষাণীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের বড় হায়াতপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাজ্জাত হোসেন মুন্না বজ্রপাতে মারা গেছেন।
দেশের ৬ জেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে সবাই কৃষক ও শ্রমিক।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের রাহুলিয়া গ্রামে বজ্রপাতে মোঃ আব্দুস সামাদ খদগীর (৬৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ভুট্টাখেতে কাজ করার সময় ঝড়-বৃষ্টি হওয়ায় বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মো. ইউসুফ আলী (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
নওগাঁর নিয়ামতপুর এবং মহাদেবপুরে বজ্রপাতে দুই কৃষকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) দুপুরে নিয়ামতপুর উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে এবং হাজিনগর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. ওবাইদুল নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (৬ মে) দুপুরে উপজেলার বদিজামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে