বিতর্কিত লাভ জেহাদ আইন আগেই পাশ হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। ভিনধর্মের বিয়ের ক্ষেত্রে এই আইনের প্রয়োগ করা হয়। উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে এবার সেই লাভ জেহাদ নিয়ে আরো সরব হলো বিজেপি।
- নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে নজরদারি জোরদারের ঘোষণা বাণিজ্যমন্ত্রীর
- * * * *
- পাকিস্তানে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা
- * * * *
- ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানের সব এয়ারলাইনস বন্ধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
- * * * *
- মুঠোফোন না পেয়ে মা-বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে থানায় কিশোর
- * * * *
- বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব, কোন রুটে কত?
- * * * *
বিজেপি
ভারতের উত্তর প্রদেশে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। বিধানসভা ভোটের ঠিক আগে সমাজবাদী পার্টিতে (এসপি) যোগ দিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতা ও রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী স্বামীপ্রসাদ মৌর্য।
রাষ্ট্রপতির সংলাপে যোগ দেবে আন্দালিব রহমান পার্থের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)।
ভারতের গোয়ায় নির্বাচনী জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আমরা এখানে ভোট ভাগ করতে আসিনি। বিজেপিকে রুখতে এসেছি। বিজেপির বিকল্প হিসেবে আমরা আপনাদের কাছে এসেছি।
তৃণমূল বনাম বিজেপি-র লড়াইয়ে আবার উত্তাল ভারতের ত্রিপুরা। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাত থেকে, সোমবারও উত্তেজনা ছিল পুরোমাত্রায়। ত্রিপুরায় পুরসভা নির্বাচন আসন্ন। আগরতলায় তাই তৃণমূলের নেতা ও নেত্রীরা নিয়মিত যাচ্ছেন।
গত পহেলা মার্চ এক পাঁচতারা হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেছিলেন টালিগঞ্জের নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন অভিনেত্রীর হাতে।
ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেস ভাঙিয়ে নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে আনছেন মমতা। ক্ষুব্ধ কংগ্রেস জানালো, এতে বিজেপি-র সুবিধা হবে।সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আপাতত একটাই নীতি নিয়ে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।
ত্রিপুরার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস আগেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে এর আগে কলকাতার কালীঘাটে গিয়ে মাথা ন্যাড়া করে, গঙ্গায় গোসল সেরে বিজেপি করার প্রায়শ্চিত্ত করেছেন তিনি।
সোমবার রাতে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি করা হয়েছে।দিলীপ ঘোষের সভাপতি থাকার মেয়াদ ছিল ২০২৩ পর্যন্ত। কিন্তু তার সভাপতি পদে থাকার মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছর চার মাস তাকে আগেই সরিয়ে দেয়া হলো।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদ ছিল আরো প্রায় এক বছর চার মাস। তার এত আগেই দিলীপ ঘোষের অপসারণ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বিপর্যয় দিলীপের পদ হারানোর অন্যতম বড় কারণ বলে দলের অনেকের মত।