করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের নাম রাখা হয়েছে ওমিক্রন। কেন এই নাম রাখা হলো? গ্রিক বর্ণমালার আলোকে নাম রাখার যে প্রথা প্রচলিত রয়েছে, তাতে এর নাম হওয়া উচিত ছিল 'জাই'। অনেকে এর উচ্চারণ করেন 'শি'। এই উচ্চারণের সাথে আবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নামের মিল রয়েছে। ঘটনাটি কি এ কারণেই ঘটেছে?
ভ্যারিয়েন্ট
মহামারী করোনাভাইরাস খুব দ্রুত পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে এমন সম্ভাবনা দেখছেন না বিজ্ঞানীরা। কারণ ধনী দেশগুলোর অধিকাংশ নাগরিক টিকা পেলেও পিছিয়ে আছে গরীব দেশগুলো। এর মধ্যে ছড়ানো শুরু করেছেন করোনার নতুন ধরণ।
দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের ৯৮ শতাংশের শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।
করোনা ভাইরাসের সর্বশেষ যে ভ্যারিয়েন্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে এসেছে সেটি হচ্ছে ল্যাম্বডা ভ্যারিয়েন্ট। গত বছর দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পেরুতে এই ভ্যারিয়েন্ট সর্বপ্রথম শনাক্ত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে এখনো পর্যন্ত বিশ্বের ২৭টি দেশে এই ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে।
যশোর প্রতিনিধি: যশোরে যৌথ বাহিনী তৎপর থাকলেও থামছেনা করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ জেলায় করোনা বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে ডেল্টা ভেরিয়েন্টকেই দায়ী করছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারের পরীক্ষণ দলের সদস্য ও অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদ ।
বাংলাদেশে গত এপ্রিলে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ভারতের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের শনাক্তের হার বৃদ্ধি পেতে থাকে। দেশে এই ভ্যারিয়েন্ট মে মাসে ৪৫ শতাংশ ও জুন মাসে ৭৮ শতাংশ নমুনায় শনাক্ত হয়।
কোভিড সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে গণটিকাকরণে জোর দিয়েছে কেন্দ্র। কিন্তু ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে
ভয়াবহ হয়ে উঠেছে করোনার ডেল্টা প্রজাতি। বিশ্বের ৮৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রজাতি। করোনার এই প্রজাতিকে সবচেয়ে সংক্রামক হিসাবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
ঢাকায় শনাক্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর ৬৮ শতাংশ ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা সংস্থা আইসিডিডিআরবি। সম্প্রতি করা গবেষণায় তারা এমনটি দেখতে পেয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) জানিয়েছে সংস্থাটি।
করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে এবার উদ্বেগের কথা জানালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন।