ইবাদাতের বসন্তকাল রমাদান। রহমানী চাদরে ঢাকা এ মেহমান আমার হৃদয়-মনকে কতটা আবিষ্ট করেছে? এটিতো একটি সময়কাল মাত্র।এখানে রয়েছে দু‘টি মৌলিক উপহার- একটি কুরআন অন্যটি সিয়াম’।
মীর
‘মৃত্যুদূত করোনা’ যখন বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী,ধনী-গরীব,ক্ষমতাশালী-দুর্বল তথা আবাল-বৃদ্ধের জীবন দুয়ারে প্রতিনিয়ত কড়া নাড়ছে, মৃত্যুভয় ও তার মিছিল যখন প্রিয়জন থেকে পালাতে বাধ্য করছে,জানাজা বা কবরস্থ করার সাহসও কেড়ে নিয়েছে। ঠিক তখনই লকডাউনে ঘরে বসে সংবাদ মাধ্যম,সোশ্যালমিডিয়া এবং টেলিফোনিক যোগাযোগের মাধ্যমে যা দেখছি, তা আমাকে বিস্মিতই করছে। একটি প্রশ্ন বার বার নাড়া দিচ্ছে, কত উদাসীন হলে আমি এমন হতে পারি—
ড. মীর মনজুর মাহমুদ
দুনিয়াজোড়া মহামারি। লাশের মিছিল। আমি বেঁচে আছি। মানে আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন- যিনি আমার রব। যারা চলে গেলেন, কেউ যেতে চাননি। স্বজনরাও ছাড়েনি। কান পেতে শুনুন কি আহাজারি চলছে, সন্তানহারা মায়ের, পিতা-মাতাহারা সন্তানের, স্বজনের চোখের পানি কি আদৌ শুকিয়েছে? না, এ যাতনা নিয়েই তারা বাকি সময় পার করবে। নিজে একটু যন্ত্রনাকাতর হয়ে ভাবুন।
ভীতি নয়, সচেতনতা সৃষ্টি আর সামাজিক সঙ্গনিরোধ কর্মকেসূচি চলছে। যেন এগুলোকে অবহেলা না করি। সামাজিক মানুষ হিসেবে কয়েকটি প্রসঙ্গ বলা জরুরি মনে করছি--
মানব ইতিহাসের অন্যান্য ভয়ঙ্কর মহামারির ন্যায় করোনা এসেছে। একটা সময় পরে তা চলেও যাবে ইনশা’ল্লাহ। তবে আমরা বড় দায়বদ্ধ হয়ে পড়েছি---
কাশ্মীর সংকট সমাধানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের দেয়া মধ্যস্থতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি।
পাকিন্তান সফররত তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান শুক্রবার কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন করার কথা বলেন।
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। দিনটিকে বিশ্ব ভালবাসা দিবস নাম দেয়া হয়েছে।আমাদের দেশে বর্তমান প্রজন্মের সকলে এ দিন নিয়ে মাতামাতি করে না, বরং একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যা চরমভাবে তা অপছন্দ করছে। ফেসবুকের ঝড়বার্তা সেটিই প্রমাণ করছে। আমার কথা যারা এ