রবি

নতুন বাজেটে উঁকি দিচ্ছে বশেমুরবিপ্রবির গবেষণা খাতের সম্ভাবনার দ্বার

নতুন বাজেটে উঁকি দিচ্ছে বশেমুরবিপ্রবির গবেষণা খাতের সম্ভাবনার দ্বার

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি 

জাতির জনকের পুণ্যভূমি গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২১ অর্থবছরে বিগত বছরের তুলনায় ১৫ লক্ষ টাকা বাড়িয়ে ৫৪ কোটি ২ লক্ষ টাকা বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব দপ্তরের উপপরিচালক শেখ সুজাউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মেস ভাড়া নিয়ে বিপাকে বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

মেস ভাড়া নিয়ে বিপাকে বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

শেখ ফাহিম 

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি 

মহামারী করোনা ভাইরাসের মধ্যে মেস/ বাসা ভাড়া নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি)শিক্ষার্থীরা।করোনাকালীন ২৫ শতাংশ ভাড়া মওকুফ করার সিদ্ধান্ত থাকলেও মানছে বাসা মালিকরা।ফলে গণহারে মেস ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে "প্রতিবাদ করুন বাসা ছাড়ুন" নামে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন তারা।

করোনা সংকটে ছাত্র উপদেষ্টাকে পাশে চায় বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

করোনা সংকটে ছাত্র উপদেষ্টাকে পাশে চায় বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

শেখ ফাহিম 

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি 

মহামারী করোনাভাইরাসের প্রকোপে সারা বিশ্ব আজ অসহায়। কোভিড ১৯ নামক এই ক্ষুদ্র অণুজীবকে পরাজিত করতে টিকা আবিষ্কারের জন্য সারাবিশ্বের গবেষকরা দিনরাত এক করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবুও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বাড়ছে মৃতের তালিকাও।

"২০০ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকছে বশেমুরবিপ্রবির একাংশ সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ"

"২০০ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকছে বশেমুরবিপ্রবির একাংশ সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ"

করোনা প্রতিরোধে ঘরবন্দী পুরো বিশ্ব। প্রচুর প্রানহানির পাশাপাশি আরো আতঙ্ক অর্থনৈতিক বিপর্যয় নিয়ে। দেশের প্রায় সকল কর্মস্থল অচলের পথে।

বেতন-ভাতাহীন বশেমুরবিপ্রবির মাস্টাররোলে কর্মচারীরা, পাশে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার শেখ নাঈম

বেতন-ভাতাহীন বশেমুরবিপ্রবির মাস্টাররোলে কর্মচারীরা, পাশে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার শেখ নাঈম

শেখ ফাহিম 

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি 

বেতন-ভাতা বঞ্চিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) মাস্টররোলে নিয়োগকৃত অসহায় কর্মচারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন ব্যারিস্টার শেখ নাঈম। দেশে স্বাভাবিক সময়ে যারা ছিলো অসহায় লকডাউনের এই সময়ে পরিবারের জন্য দুমুঠো ভাত জুটাতে চরম হিমশিম খাচ্ছে তারা।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা ভাইরাস পরিক্ষা হতে যাচ্ছে

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা ভাইরাস পরিক্ষা হতে যাচ্ছে

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনম সেন্টারে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। শনিবার রাতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। হাসপাতালের বাইরে দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এই প্রথম করোনাভাইরাস পরীক্ষার সরকারি অনুমতি পেল।

’করানো রোগী শনাক্ত করতে পারবে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার’

’করানো রোগী শনাক্ত করতে পারবে যবিপ্রবির জিনোম সেন্টার’

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্ত করতে পারবে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) অত্যাধুনিক গবেষণাগার জিনোম সেন্টার

করোনা পরিস্থিতিতে পুনরায় ছুটি বর্ধিত  ; আদেশ জারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। "

করোনা পরিস্থিতিতে পুনরায় ছুটি বর্ধিত ; আদেশ জারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। "

শেখ ফাহিম 

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি 

করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে চলমান সাধারণ ছুটি ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের  আদেশানুসারে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একই নির্দেশ অনুযায়ী বন্ধ থাকবে।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী  সুস্থের পথে ; দুয়া প্রার্থনা "

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থী সুস্থের পথে ; দুয়া প্রার্থনা "

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি:

গত ২৩ মার্চ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গোপালগঞ্জের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খাইরুল ইসলাম ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন।তাকে আইসিউ থেকে কেবিনে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবিদ হোসাইনের ফেইসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানা যায় সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত খাইরুলের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। কেবিন থেকে বেডে স্থানান্তরিত করার পর কিছুদিন তার চিকিৎসা শেষে তার অপারেশন করা হবে। 

এ ব্যাপারে খায়রুলের দাদা জানান, সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় ও সকলের দোয়ায় সে এখন সুস্থের পথে। চিকিৎসকরা ইতিবাচক আশা প্রকাশ করেছেন। খায়রুল এখন মোটামুটিভাবে কথা বলতে পারছে। তবে, আরও কিছুদিন তাকে হাসপাতালে থাকা লাগবে এবং চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। আর্থিক অবস্থার ব্যাপারে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত প্রায় ৪-৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে এবং খায়রুলের সহপাঠী সহ শুভাকাঙ্ক্ষীরা কিছু সহায়তা করেছেন। এখন তারা নিঃস্ব প্রায়। খায়রুলের চিকিৎসার জন্য আর্থিকভাবে সকলের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেন তার দাদা। উল্লেখ্য  সড়ক দুর্ঘটনায় খাইরুল ইসলাম আহত হওয়ার পর স্থানীয় হাসপাতাল থেকে অবস্থার অবনতি হলে খাইরুলকে ঢাকা নেয়া হয়।কিন্তু করোনা সন্দেহে দেশের কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি না নেয়ার পর সবশেষ মহাখালীর একটি হাসপাতালে আইসিউতে ভর্তি করা হয়েছিলো।

খায়রুলকে সহযোগিতা প্রদানের জন্য যোগাযোগঃ

আবিদ হাসান (বিকাশ): ০১৯৭৬৬৭২৫১১

হাসান (রকেট): ০১৯১৮৬১৭৭৬৭২

ইমন (নগদ): ০১৭৮৪৪৮৪৮৫৪