আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে কমবেশি সবার শরীরেই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে।
শীত
শীত এলেই ত্বকের পাশাপাশি চুলের নানান সমস্যা দেখা যায়। চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, খুশকি, আঠালোভাবসহ চুল পড়ার মতো সমস্যাগুলো যেন পিছু ছাড়তেই চায় না। ঘন ঘন শ্যাম্পু করেও নেই কোনো সমাধান।
এখন দিনে আবহাওয়া গরম থাকলেও সন্ধ্যা নামতেই আবহাওয়া ঠান্ডা হচ্ছে। এখনই সময় আলমারি থেকে গরম জামা আর লেপ-কম্বল বের করার। তবে দীর্ঘদিন বাক্স বা আলমারিবন্দী গরম জামাকাপড় বের করেই তো আর পরতে পারবেন না।
শীত এখনো তেমন জাঁকিয়ে বসেনি। তবে বাতাসে শীত শীত ভাব আছে।
ওজন কমানোর মানে শুধু শারীরিক কসরতই নয়। বরং খাদ্যতালিকায় সঠিক খাবার যোগ করাও এর অংশ। এই শীতে অবশ্য ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতেই অনেকের মনোযোগ থাকবে। তবে শীতে হরেক রকমের খাবার খাদ্যতালিকায় যোগ করা সম্ভব।
শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল যকৃত। এই অঙ্গটি দেহ থেকে টক্সিন বের করে দেওয়া থেকে শুরু করে বিপাকের হার নিয়ন্ত্রণ, হজমে সাহায্যকারী উৎসেচক তৈরিসহ একাধিক কাজ করে। এ কারণে সুস্থ-সবল জীবনযাপন করতে চাইলে লিভারের যত্ন নিতেই হবে।
শীতে গ্রীষ্মের চেয়ে বিদ্যুৎ বিল একটু কমই হয়। কারণে গ্রীষ্মে এসি, ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ বিল তুলনামূলক একটু বেশি হয়।
সুস্থ থাকতে শারীরিক কসরতের কোনো বিকল্প নেই।
বাতের ব্যথার সমস্যায় এখন শুধু বয়স্করা নন, অনেক কমবয়সীরাও ভোগেন।
শীতের মৌসুমে নানা রকমের রোগ দেখা দিয়ে থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো ঠান্ডা লাগা এবং তার থেকে সর্দি, কাশি, হাঁচি, গলা ব্যথা ইত্যাদি। শীতের এই সময় অনেকেরই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। আর দুর্বল থাকার কারণে যে কোন সময়তেই সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।