ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের প্রায় ২৯০টি বন্যাকবলিত পরিবারের মধ্যে সাত দিনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে।
- স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিল আর্জেন্টিনা!
- * * * *
- লঙ্কান লিগে হৃদয়ের তাণ্ডব, ৪ ছক্কায় এক ওভারেই নিলেন ৩০ রান
- * * * *
- দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ বাংলাদেশির ৫ জনই নারায়ণগঞ্জের
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৩ বছরের জন্য এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন
- * * * *
- জাপানে বিদ্যুৎহীন ৪৮ হাজার পরিবার, স্থগিত ট্রেন-বিমান!
- * * * *
ত্রাণ
অস্ট্রেলীয় সরকার ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজা উপত্যকা ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য ২ কোটি ৫০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলার (১৭.৫ মিলিয়ন ডলার) সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৭টি জেলায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রাণালয় হতে নগদ টাকাসহ ত্রাণসামগ্রী বরাদ্দ ও বিতরণ করা হয়েছে এবং ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বন্যায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও বিলাইছড়ির অন্তত ৪৫টি গ্রাম লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। বন্যার পানি নেমে গেলেও চারদিকে এখন কেবলই ধ্বংসের চিহ্ন। ধানি জমি, ঘরবাড়ি, হাট-বাজার, সড়ক ও কালভার্ট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ত্রাণ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় আনা হচ্ছে না এবং কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিভাগের তত্ত্বাবধানে বন্যাদুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা কবলিত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষ হতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে পাঁচ লাখ টাকার অনুদান দেওয়া হয়েছে।
ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানিবন্দী মানুষের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পাঠাগার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী বাহারছড়া ইউনিয়নের বৃহত্তর গ্রাম ইলশা। এই গ্রামের হামিদ কাজির পাড়ার বাসিন্দা আবদুল করি
পার্বত্য চট্টগ্রামে চলমান ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার, ত্রাণ সহায়তা, নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।