১. উপকারী বৃষ্টির জন্য পঠিতব্য দোয়া
আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন বৃষ্টি হতে দেখতেন, তখন সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ এই বিশেষ দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করতেন। দোয়াটি হলো-
মহানবী
আবু কাতাদাহ হারিস ইবনে রিবয়ি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার মহানবী (সা.) দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিলেন। বললেন, সর্বোত্তম আমল হলো আল্লাহর উপর ঈমান এবং জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ।
পৃথিবীতে মানুষ যাঁদের ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারবে না, তাঁরা হলেন মা-বাবা। সন্তান যখন নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কেও সচেতন নয়, তখন মা তাকে নিজের রক্ত-মাংস দিয়ে গড়ে তোলেন।
জাবের (রা.)-থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মহানবী (সা.) যখন বক্তৃতা দিতে দাঁড়াতেন তখন তার দুচোখ রক্তিমবর্ণ হয়ে যেত এবং তাঁর আওয়াজ উঁচু হতো এবং তাঁর রাগ অনেকটা বেড়ে যেত।
দারিদ্র্য ও বেকারত্বের সমস্যা শুধু আধুনিক বিশ্বের নয়, অতীতেও ছিল। রসুল (সা.) এর সমাধানে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
কেউ মারা গেলে উচ্চৈস্বরে কান্নাকাটি বা বিলাপ না করে মুমিনের কর্তব্য হলো ধৈর্যধারণ করা এবং তার জন্য বেশি বেশি দোয়া করা।
ইনসাফ ও ন্যায়বিচার এক মহত্ গুণ। ন্যায়বিচার ব্যক্তিকে সবার কাছে শ্রদ্ধাভাজন ও প্রিয়পাত্র করে তোলে। শাসক বা রাষ্ট্রপ্রধানের জন্য ইনসাফ অপরিহার্য বিষয়।
মহানবী মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী। তাঁর গোটা জীবন বিশ্ববাসীর জন্য উত্তম আদর্শ ও অব্যর্থ মাইলফলক। তাঁর জীবনের এমন কোনো দিক নেই যেখানে উম্মতের জন্য শিক্ষা নেই।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর যাপিত জীবনমানব জাতির জন্য অনুপম আদর্শ। তিনি ছিলেন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানুষ, কিন্তু অতি সাধারণ ছিল তার জীবন। তরুণ প্রজন্মের কাছে তার অনুকরণীয় জীবনদর্শন তুলে ধরতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
মানুষের জীবনে আদর্শ অপরিহার্য। আদর্শহীন জীবন হলো দিশাহীন মরুভূমির পথিকের মতো, যেখানে কোনো গন্তব্য নেই, নেই প্রশান্তির আশ্রয়।