মানুষের হায়াত নির্ধারিত। নির্দিষ্ট সময়ের বেশি এক মুহূর্তও কেউ এ পৃথিবীতে থাকতে পারবে না। এটাই আল্লাহ তায়ালার সুমহান বিধান।নির্দিষ্ট জীবনকাল অতিবাহিত হওয়ার পর তাকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।
- ভারতে বাংলাভাষী মুসলিমসহ অন্য জাতিগোষ্ঠীর ওপর নিপীড়ন, জাতিসংঘের উদ্বেগ
- * * * *
- পল্টন থানায় নতুন ওসি, বদলি ডিএমপির পরিদর্শক
- * * * *
- নতুন শিক্ষানীতি নয়, ২০১০ সালের নীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে সংস্কার
- * * * *
- ওয়ালটন করপোরেটে বিশেষ অগ্নিনির্বাপণ প্রশিক্ষণ
- * * * *
- জাপানে তীব্র গরমে কর্মীদের স্বস্তি দিচ্ছে ‘মানুষের ফ্রিজ’
- * * * *
ইসলাম
নামাজ মুমিনের সৌভাগ্যের সোপান, শ্রেষ্ঠত্বের কারণ। খোদার দরবারে প্রিয় হওয়ার উপলক্ষ।ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ওয়াজিব। জামাতে নামাজ মানুষকে ফুরফুরে রাখে। চিত্ত সতেজ করে তোলে।
খুশু-খুজু হলো নামাজের প্রাণ। ইবাদতের মধ্যে স্থিরতা অবলম্বন করা হলো ‘খুশু’। আর ইবাদতটি একাগ্রতাসহকারে আদায় করার নাম ‘খুজু’। খুশুর আভিধানিক অর্থাৎ বিনয়, স্থিরতা, মিনতি ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় এর অর্থ হলো অন্তরে বিনয় ও স্থিরতা থাকা।
গুনাহ প্রধানত দুই প্রকার। কবিরা ও সগিরা। কবিরা গুনাহর মধ্যে এমন কিছু গুনাহ আছে, যা করলে মানুষের ওপর অভিশাপ নেমে আসে। অভিশাপকে আরবিতে বলা হয় ‘লানত’।
জীবনের প্রয়োজনে সমাজের মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতে হয়। চালচলনে, কথাবার্তায় ও ওঠাবসায় আমরা নানা রকম ভুল করে থাকি। মানুষ ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। তবে বিচক্ষণ মানুষ অন্যকে দেখে নিজের ভুলত্রুটি সংশোধন করে নেয়।
আল্লাহ তায়ালা মানুষ এবং জীনকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। ইবাদত বলতে আমরা অনেকেই মনে করি শুধু নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত এগুলোই ইবাদত। এ ছাড়া আমাদের জীবনের অন্যান্য বিষয় ইবাদত না।
মহান আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন, আর সুদকে করেছেন হারাম। সৎ ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য রেখেছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা। নবুয়তপ্রাপ্তির আগে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-ও ছিলেন একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী।
আগামীকাল শুক্রবার ১০ মহররম। পবিত্র আশুরা। কারবালার শোকাবহ ঘটনাবহুল এ দিনটি মুসলমানদের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
হিজরি সনের প্রথম মাস মহররম। মহররম শব্দের অর্থ মর্যাদাপূর্ণ। অনেক ইতিহাস-ঐতিহ্য ও রহস্যময় তাৎপর্য নিহিত আছে এ মাস ঘিরে। এসব কারণেই এ মাসটি মর্যাদাপূর্ণ।
হিজরি নববর্ষের প্রথম মাস মহররম নানা কারণে মুসলিমদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামপূর্ব আরবের অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজেও এই মাসের বিশেষ মর্যাদা ছিল।
রাজত্ব, সম্মান, ক্ষমতা হলো মহান আল্লাহর নিয়ামত। তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করেন, আর যার কাছ থেকে ইচ্ছা তা ছিনিয়ে নেন।
হজের মওসুম শেষ হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যাদেরকে হজ করার তাওফিক দিয়েছেন, সন্দেহাতীতভাবে তারা সৌভাগ্যবান। অন্য দিকে এই দুনিয়াতে আল্লাহর বহু বান্দা রয়েছেন যারা হজ ও উমরাহ করার জন্য অন্তরে প্রচণ্ড আগ্রহ লালন করেন, অথচ হজ অথবা উমরাহ করার তাওফিক তাদের হয়নি।
আরবি হারাম (حرام) শব্দ থেকে মুহাররম (محرم) শব্দের উৎপত্তি। এর একটি অর্থ হলো পবিত্র। প্রাচীনকাল থেকে যে চারটি মাসকে আরবরা পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করতো।
শাহরুল্লাহ বা আল্লাহর মাস বলে সম্মানিত মহররম মাস হিজরি সনের প্রথম মাস। কুরআনে বর্ণিত চারটি মর্যাদার মাসের মধ্যে একটি অন্যতম মাস।
রিজিক মহান আল্লাহর অনুগ্রহের নাম। এটি শুধু অর্থ-সম্পদ, খাবার কিংবা কাপড়চোপড়ে সীমাবদ্ধ নয়। মহান আল্লাহ বহু ধরনের রিজিক দ্বারা আমাদের লালন-পালন করছেন।
হিজরি নববর্ষ ১৪৪৩ সমাগত। হিজরি সন চান্দ্র মাস পরিক্রমায় আবর্তিত হওয়ায় মুসলমানের জন্য এই সনের তাৎপর্য ব্যাপক। হজ, জাকাত ও রোজাসহ ইসলামের বহু বিধান ও আচার-অনুষ্ঠান চাঁদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।