চুলের সুস্থতায় কত দিন পরপর ‘হেয়ার কাট’ করানো উচিত?

চুলের সুস্থতায় কত দিন পরপর ‘হেয়ার কাট’ করানো উচিত?

ফাইল ফটো

চুল নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক প্রচলিত ধারণা রয়েছে। অনেকে মনে করেন, ন্যাড়া হলে বা বারবার চুল কাটলে তা দ্রুত বাড়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভিন্ন কথা। চুলের বৃদ্ধি নির্ভর করে মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পের ওপর, চুলের ডগার ওপর নয়।

একজন মানুষের চুল মাসে গড়ে ১ থেকে ১.৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়ে। তবে এই বৃদ্ধি সবার ক্ষেত্রে সমান হয় না। এটি নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর। যেমন-  জিনগত বৈশিষ্ট্য ও হরমোন, পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ ও চুলের সঠিক যত্ন।

কেন নিয়মিত চুল কাটা বা ট্রিম করা জরুরি?
চুল কাটলে তা দ্রুত বড় হয় না ঠিকই, কিন্তু চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এর কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত চুল না কাটলে চুলের নিচের অংশ রুক্ষ হয়ে ফেটে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ডগার কারণে চুল মাঝখান থেকে ভেঙে যায়, ফলে চুল লম্বায় বাড়ে না। রুক্ষ চুলে বেশি জট পাকায়, যা চুল পড়ার অন্যতম কারণ।

কত দিন পরপর চুল কাটবেন?

চুল লম্বা করতে চাইলে: প্রতি ১০–১২ সপ্তাহে একবার হালকা করে ট্রিম করুন।

রং করা বা ক্ষতিগ্রস্ত চুল: প্রতি ৬–৮ সপ্তাহে একবার কাটা ভালো।

ছোট বা নির্দিষ্ট হেয়ার স্টাইল: স্টাইল ঠিক রাখতে ৪–৬ সপ্তাহ পরপর কাটুন।

কোঁকড়া চুল: প্রতি ৮–১২ সপ্তাহে একবার ট্রিম করাই যথেষ্ট।

কখন বুঝবেন চুল কাটার সময় হয়েছে?
যদি দেখেন চুলের ডগা ফেটে গেছে, চুল অতিরিক্ত জট পাকাচ্ছে বা নিচের দিকটা খুব পাতলা ও রুক্ষ হয়ে গেছে, তবে বুঝবেন এবার ট্রিম করার সময় হয়েছে।

চুল দ্রুত বাড়াতে যা করবেন
চুল সুস্থ ও দ্রুত লম্বা করতে চাইলে কিছু সহজ নিয়ম মানতে পারেন:

সুষম খাবার: খাদ্যতালিকায় ডিম, বাদাম ও প্রচুর শাকসবজি রাখুন।

স্ক্যাল্পের যত্ন: সপ্তাহে ১-২ বার চুলে তেল মালিশ করুন এবং মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।

হিট স্টাইলিং কমানো: অতিরিক্ত ড্রায়ার বা স্ট্রেটনার ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

সঠিক চিরুনি: জট ছাড়ানোর সময় হালকা হাতে চুল আঁচড়ান।