পোড়া আনারসের মিষ্টি ও হালকা কারামেলযুক্ত স্বাদ শুধু চোখে না, ভেতরে পর্যন্ত আনন্দ জাগায়। গরম গরম খেলে প্রতিটি কামড় যেন মুখে নাচ শুরু করে।
আনারস
পবিত্র রমজান মাসের ইফতারে চাই পুষ্টিকর ও তৃষ্ণা মেটানো খাবার। এজন্য বিভিন্ন ফলের জুস হতে পারে একটি প্রধান পানীয়।
কৃষি বিজ্ঞানের উন্নতিতে এখন সারা বছরই পাওয়া যায় টক স্বাদের রসালো ফল আনারস। অসংখ্য পুষ্টিগুণে ভরা আনারস শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ।
আনারসের প্রথম কামড়ে যে চটকদার স্বাদ আসে, সেই সঙ্গে টান এবং মিষ্টতার অনন্য মিল, তা শুধু গরম দিনের জন্য একটি রিফ্রেশিং ফল নয়।
জরায়ু, স্তন, ফুসফুস ভালো রাখতে সহায়তা দিতে পারে আনারসে থাকা খাদ্য উপাদান। এই ফল শরীরের গ্ল্যান্ড বা গ্রন্থিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
নানা রকম রান্নায় আনারস যোগ করে বাড়তি স্বাদ। সে রকম একটি রেসিপি দিয়েছেন কল্পনা রহমান।
আইসক্রিমের সঙ্গে পোড়ানো আনারস।
জ্বর-জারি, সর্দি কিংবা মৌসুমি অসুস্থতায় অনেক সময় মুখের স্বাদ একেবারেই উধাও হয়ে যায়। তখন টক-মিষ্টি মিশ্রণে তৈরি খাবার ফেরাতে পারে রুচি।
আনারস ও দুধ একসঙ্গে খেলে মানুষ মারা যাবে এমন কথা প্রচলিত রয়েছে আমাদের সমাজে।
এখন ইলিশের মৌসুম। বাজারে প্রচুর পরিমাণ ইলিশ উঠেছে। ছোট বড় সবাই ইলিশ মাছ পছন্দ করে।