সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ মাছ ধরায় অভিযান চালিয়ে ২৪ জেলেকে আটক করেছে নাজিরগঞ্জ নৌ-পুলিশ। এসময় ৮টি নৌকা, বিপুল পরিমাণ জাল ও ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়।
ইলিশ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ ধরায় ১২ জেলেকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
ফরিদপুরের সদরপুরে পদ্মা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা-ইলিশ ধরার অপরাধে সাত জেলেকে ১২ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরার অপরাধে দুই জেলেকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪৮ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ৫৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে ১২ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া বয়স কম থাকায় ছয় জেলেকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযানকালে দুটি নৌকাসহ ১২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ ধরার অপরাধে ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পাঁচ জেলেকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরার অপরাধে বরিশালের বিভিন্ন নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৮ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে মা ইলিশ শিকারের অপরাধে তিন জেলেকে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে জাল ফেলায় তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
বুধবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে সারা দেশে ২২ দিনের ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়েছে।পদ্মা-মেঘনা অভয়ারণ্যে বাংলাদেশের জাতীয় এই মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।২ নভেম্বর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।