গ্রীষ্মের তীব্র গরমে শরীর সুস্থ রাখতে শসা একটি উপকারী খাদ্য হিসেবে বিবেচিত। ভাত, রুটি বা মুড়ির সঙ্গে কয়েক টুকরো শসা বাঙালির খাদ্যতালিকায় প্রায় অপরিহার্য।
খাওয়ার
প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদানের মধ্যে কাঁচা হলুদ অন্যতম।
আমাদের অনেকের অভ্যাস দুপুরের খাবারের শুরুতেই তিতা কিছু দিয়ে ভাত খাওয়া। বিশেষ করে করলা ভাজি অনেকেরই পছন্দের তালিকায় থাকে, আবার অনেকে এর তিতা স্বাদের কারণে এড়িয়ে চলেন।
গরম পড়লেই অনেকেই কিছু খাবার নিয়ে দ্বিধায় পড়েন - তার মধ্যে বাদাম অন্যতম। বাদাম খেলে শরীর গরম হয়, তৃষ্ণা বেশি লাগে - এমন ধারণা বেশ প্রচলিত।
জামরুল খেতে পছন্দ করেন নিশ্চয়ই? দেশি এই রসালো ফল হালকা স্বাদের হলেও এর উপকারিতা কিন্তু অনেক।
অসহ্য গরমে শরীরকে ফ্রেশ ও সুস্থ রাখতে কাঁচাআম সত্যিই এক জাদুকরী ভূমিকা পালন করে থাকে।
বাঙ্গি পুষ্টিগুণে ভরপুর ও কম-ক্যালোরিযুক্ত ফল। এতে রয়েছে প্রচুর পানি ( প্রায় ৯০%), ভিটামিন এ ও সি এবং পটাশিয়াম।
গরম পড়তেই বাজারে তরমুজ আসতে শুরু করেছে। অনেকেই এই সময় শরীরকে ঠান্ডা ও সতেজ রাখতে নিয়মিত তরমুজ খান।
রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পেতে প্রয়োজন পুষ্টিকর খাবার।
সব ধরনের চিকিৎসা শাস্ত্রেই রোজ নিয়ম করে লেবু পানি খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।