শীতকাল শুধু কুয়াশা ও ঠান্ডা নয়, এসময় সংক্রমণ ও অসুস্থতার ঝুঁকিও যায়। তাই এই ঋতুতেই প্রকৃতি আমাদের এমন কিছু মৌসুমি ফল ও সবজি দেয় যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে।
খাওয়ার
আদা আমাদের রান্নাঘরের একটি পরিচিত ভেষজ উপাদান। শুধু খাবারে স্বাদ বাড়ানো নয়, প্রাচীনকাল থেকেই এটি বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে খালি পেটে আদা পানি পান করলে এর উপকারিতা আরও বাড়ে।
সালাম আরবি শব্দ। এর অর্থ শান্তি ও দোয়া, কল্যাণ ইত্যাদি। ইসলামে সালামের গুরুত্ব অনেক। সালাম দিয়ে ইসলামে অভিবাদন জানানো হয়। পাশাপাশি এটি একটি দোয়াও। এর মাধ্যমে মুসলিম পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও শ্রদ্ধা তৈরি হয়।
স্ট্রবেরি। এই রসালো ফল কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং এর প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। আপনি কি জানেন কেন এটি আপনার শীতকালীন খাদ্যতালিকায় যোগ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ?
দিনের শুরুটা যদি হয় পুষ্টিকর খাবার দিয়ে, তাহলে সারাদিনের কর্মশক্তিও থাকে ভরপুর। সকালে ডিম খাওয়া পুষ্টিকর অভ্যাসগুলোর একটি।
অনেকের অভ্যাস, দুপুরের খাবার শেষ করেই এক কাপ গরম চা। এতে যেমন কিছুটা সতেজতা আসে, তেমনি এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে বেশ কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকিও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাওয়ার পরপরই চা পান শরীরে আয়রন শোষণ থেকে শুরু করে হজমের প্রক্রিয়া পর্যন্ত প্রভাবিত করতে পারে।
ড্রাই ফ্রুটের মধ্যে খেজুরকে স্বাস্থ্যসম্মত হিসেবে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের জন্য নানা উপকার পাওয়া যায়।
ব্রোকলি ক্রুসিফেরাস পরিবারের অন্যতম সদস্য, যার মধ্যে রয়েছে কেল, ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং ব্রাসেলস স্প্রাউট।
দামে কম, সহজলভ্য আর পুষ্টিতে ভরপুর এমন কোনো ফলের কথা বললে সবার আগে নাম আসে পেয়ারার। কেবল ভিটামিন সি বা ফাইবার নয়, এই ফলটি অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ‘পাওয়ার হাউজ’। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় একটি পেয়ারা রাখলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যাবে অনেকটাই।
অনেকেই ভাবেন জলপাইয়ের মতো টকজাতীয় ফল শুধু নারীরাই খান। আবার অনেকে শুধুই জলপাইয়ের আচার খান।