করোনা মহামারীর প্রভাব প্রায় শেষ। ফের চালু হয়েছে অফিস, স্কুল, শপিংমল- সব কিছুই। ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে মানুষ। দীর্ঘ ওয়ার্ক ফ্রম
ঘুম
আমাদের দেশে গরমকালে প্রচুর সূর্যের আলো পাওয়া যায়। সূর্যের আলোতে গরম লাগে হয়ত অনেকেই ভাবেন। কিন্তু শীতকালে একটু সূর্যের আলো দেখার অপেক্ষায় থাকেন অনেক মানুষ। মানবদেহে সূর্যের আলোর প্রয়োজনীয়তা অনেক। কিন্তু আমরা অনেকেই এটার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারি না। তবে সূর্যের আলো কখনো কখনো মানুষের শরীরের কিছু ক্ষতিও করে থাকে।
সারাদিনের ক্লান্তি কাটানোর উপযুক্ত চাবিকাঠি ঘুম। অনেকেই ঘুমাতে ভারোবাসেন বলে নানান কটাক্ষের শিকার হন! তবে জানেন কি স্রেফ পর্যাপ্ত ঘুমালে কেটে যায় বহু ধরনের শারীরিক জটিলতা?
ঘুমের মধ্যে কিছু সময়ের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া - চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলা হয় স্লিপ অ্যাপনিয়া - একটি রোগ এবং চিকিৎসকেরা মনে করেন যে এটি মানুষের জন্য একটি গুপ্তঘাতক।
দিন শেষে মানুষ রাতের বেলা ঘুমায়। সারাদিনের ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করে। প্রশান্তির ঘুম শেষে ভোর-সকালে সতেজ মন ও প্রফুল্ল চিত্তে জেগে ওঠে।
মুসলিমদের প্রতিটি কর্ম আল্লাহর ইবাদত। তবে তা হতে হবে ইসলামের নির্দেশিত পদ্ধতি ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত মোতাবেক। তখন সবকিছুর মতো ঘুমও ইবাদত-পুণ্যে পরিণত হয়।
সমস্যার নাম ঘুমের অসুখ। আক্রান্তের হিসেব শুনলে আঁতকে ওঠার কথা! শিশু থেকে বয়স্ক, বিশ্বে শতকরা প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ ঘুমের অসুখে আক্রান্ত। সারাদিন পরিশ্রমের পরেও রাতে ঘুম না আসার সমস্যা নতুন নয়।
দেরিতে ঘুমালে, যত বেশিই ঘুম হোক না কেনো ক্লান্তি দূর হয় না। অবসাদ আর ‘থাইরয়েড’ হরমোনের সমস্যা দেখা দিতে পারে সে কারণে। আবার দেরিতে ঘুমানোর কারণে অভ্যাসের বেশি ঘুমিয়ে ফেলেন অনেকেই। ফলে ঘুম থেকে ওঠার পরও শরীর ম্যাজম্যাজ করে, আধোঘুম লেগে চোখে মুখে।
বহু দিন ধরে মনে করা হত, চিৎ হয়ে শোওয়াই সবচেয়ে ভাল। তাতেই শরীরে আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, এক পাশ ফিরে শোওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে অনেক বেশি ভাল। ঠিক মতো শুতে পারলে পিঠে-কোমরে ব্যথা কমে যেতে পারে। নাক ডাকার সমস্যাও অনেকটা কমে যায়।
তন্দ্রালু চোখ। স্বপ্নের ঘোর। হিমেল স্পর্শে শীত কাটাতে হাতড়ে খুঁজি কাঁথাফোঁড়ের চাদরখানি। এমন আমেজভরা ঘুমের আদর কখনও কেউ চুরি করতে পারে কি? অবাক হবেন না।