ঈদ মানেই স্বাদে ভরা খাবার। বিরিয়ানি হোক বা রোস্ট, পোলাও-কোর্মা, সবকিছুর স্বাদ, গন্ধ ও রং নির্ভর করে মচমচে বাদামি পেঁয়াজ বা বেরেস্তার ওপর।
জেনে নিন
ঈদ মানেই নানা মিষ্টি স্বাদের খাবার। আর সেই তালিকায় সেমাই তো থাকবেই। সেমাইয়ের সুস্বাদু নানা পদ জিভে জল আনবেই।
ঈদের দিনে কিছু খাবার আছে, যা আমরা সব সময় খেয়ে থাকি। জর্দা তার মধ্যে একটি। ঈদে নানা ধরনের মিষ্টির সঙ্গে জর্দা তৈরির রেওয়াজ থাকে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার লড়াইয়ে চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় ও খেজুর—দুটিই জনপ্রিয় হলেও খেজুর সাধারণত বেশি কার্যকর বলে বিবেচিত হয়।
গরমের দিনে হালকা, স্বাস্থ্যকর আর মুখরোচক কিছু খেতে চাইলে ফলের চাট হতে পারে দারুণ বিকল্প। বিভিন্ন তাজা ফলের সঙ্গে সামান্য মসলা, লেবুর রস আর চাট মশলার মিশেলে তৈরি এই খাবারটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণেও ভরপুর।
দেশি স্বাদের ভিন্নধর্মী একটি পদ হলো চিকেন চুকুনি। মশলার ঝাঁঝ, টক-মিষ্টি স্বাদ আর মুরগির নরম মাংস সব মিলিয়ে এটি বেশ লোভনীয় একটি রান্না।
রোজায় সেহরিতে এমন খাবার বেছে নিতে হয়, যা সারাদিনের রোজা রাখার শক্তি জোগাবে। তাই সেহরিতে কী খাওয়া হচ্ছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে অনেক পরিবারেই সেহরির টেবিলে দেখা যায় দুধ, কলা ও ভাত খেয়ে থাকে।
রমজানে ইফতারের টেবিলে গরম গরম জিলাপি দেখলে অনেকেরই মন লোভে ভরে ওঠে।
সবাই রান্নার আগে শাক-সবজি ধুয়ে নেন। কিন্তু কলের নিচে দ্রুত ধুয়ে ফেলা সবসময় যথেষ্ট না-ও হতে পারে।
মসলা হিসেবে লবঙ্গের জনপ্রিয়তা বহু পুরোনো। মাংসের ঝোল, পোলাও, খিচুড়ি কিংবা মসলা চা-সবখানেই এর ব্যবহার দেখা যায়। শুধু রান্নাতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরিতেও লবঙ্গ তেল ব্যবহৃত হয়।