ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান মেলে ভাতের মাড়ে। তাই ফেলে না দিয়ে মাড় কাজে লাগাতে পারেন চুলের যত্নে।
জেনে নিন
রান্নাঘরের উপদ্রব বলা হয় পিঁপড়াকে। কথা নেই, বার্তা নেই আস্তানা বাঁধে রান্নাঘরে। আসলে চিনির টুকরো, খাবারের কণা, দুধ বা চায়ের ফোঁটা, বিস্কুটের গুঁড়ো সব একসঙ্গে ওই রান্নাঘরেই পাওয়া যায়।
বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই এককাপ চা ছাড়া সকালটা যেন অসম্পূর্ণ। কর্মক্ষেত্রে একটি দীর্ঘ দিনের শেষে, মিটিং এর মধ্যে বা বৃষ্টির সময়- এক কাপ চা যেকোনো উপলক্ষকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে পারে।
হঠাৎ গলা খুসখুস করছে? এক টুকরো আদা চিবিয়ে খেলে বেশ আরাম মেলে। আদা চা-ও প্রশান্তি দেয় ঠান্ডা কাশিতে। এছাড়া মসলা হিসেবে এর ব্যবহার তো রয়েছেই।
চুল আমাদের সৌন্দর্যের অনেক বড় একটা অংশ বহন করে। সেই চুলই যদি ক্রমাগত ঝরে গিয়ে মাথায় টাকের সৃষ্টি করে তাহলে কী আর দুঃখের সীমা থাকে!
নিরামিষ খাবারের নাম শুনলেই অনেকের ভ্রু কুঁচকে যায়। কিন্তু পনির থাকলেই মন ভালো হয়ে যায়।
গাজরের হালুয়া খেতে দারুণ মজাদার। শুধু কী তাই? গাজরের স্যুপ, সালাদ কিংবা জুসের পাশাপাশি কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেলেও স্বাদের পাশাপাশি মিলবে চমৎকার সব পুষ্টি উপাদান।
কথিত আছে, মাছে ভাতে বাঙালি। তবে বাঙালিদের ডাল ছাড়া একবেলা ভাত মুখে উঠে না। ডাল ভাত খাওয়ার মতো শান্তি বাঙালি হয়তো পোলাও বিরিয়ানিতেও খুঁজে পায় না।
পুষ্টিগুণে ঠাসা মটরশুঁটির মৌসুম চলছে। মটরশুঁটি ভুনা যেমন খেতে অসাধারণ, তেমনি পোলাও কিংবা যেকোনো তরকারির স্বাদ বাড়াতেও এর জুড়ি নেই।
প্রাকৃতিক মিষ্টি ফল কলা পাওয়া যায় সারা বছরই। এটি যেমন খেতে সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিকরও বটে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কলা খেলে বেশ কিছু উপকারিতা মিলবে।