ডায়াবেটিক রোগীরা রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে অনেক সময় ফল খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, সঠিক ফল এবং নিয়ম মেনে খেলে ফল মোটেও শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং কিছু ফল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। চলুন, জেনে নিই কোন কোন ফল নিরাপদ।
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস থাকলেও আম থেকে দূরে থাকার প্রয়োজন নেই। সচেতনভাবে পরিমিত পরিমাণ আর সঠিক সময়ে খেলে এই প্রিয় ফলটিও আপনার খাদ্যতালিকায় নিশ্চিন্তে জায়গা করে নিতে পারে।
শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ কিডনি। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত ও বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশিত করে, শরীরের তরল পদার্থের ভারসাম্য বজায় রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদন,
জাপানে নতুন এক বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি ডায়াবেটিস চিকিৎসায় বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
ওজন কমাতে ইদানিং অনেকে ভরসা রাখেন অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে। স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের কাছে এই পানীয় বেশ জনপ্রিয়। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। কারণ এতে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কার্বোহাইড্রেট হজমের গতিকে ধীর করে দেয়।
সাধারণ সাদা চিনি স্বাদে মিষ্টি হলেও বিভিন্ন সময় নানা রোগের কারণে এটি গ্রহণে বারণ করা হয়। চিকিৎসকরা সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য সাদা চিনির বিকল্প উপাদান খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে এ সমস্যা বেশি জটিল আকার ধারণ করে।
নোয়াখালীতে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে নোয়াখালী ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মস্থলে ডায়াবেটিস সচেতনতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে রংপুরে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস পালিত হয়েছে।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস আজ শুক্রবার (১৪ নভেম্বর)। সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও জনসচেতনতার লক্ষ্যে দিবসটি পালিত হবে।
ডায়াবেটিস, স্থূলতা বা অন্য কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগ থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভিসার আবেদন বাতিল হতে পারে।