তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার দাঁড়িয়েছে। শনিবার রাতে প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ওই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে ২৯ হাজার ৭৮৯ জন। এখনো অনেক লোক চাপা পড়ে আছে। ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।
তুরস্ক
শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্কের ১০টি অঞ্চল। কিন্তু এই অবস্থার মধ্যে কিছু লোক পীড়িত অঞ্চলে লুটপাট করেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৪৮ জনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষ।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। শনিবার রাতে আলজাজিরা জানায়, ভূমিকম্পে নিশ্চিত মৃত্যু ২৫ হাজার ৪০১।
তুরস্কে সোমবার যে ভূমিকম্প হয়ে গেল এখনি সেটির গভীর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান শুরু করা অসংবেদনশীল কাজ বলে মনে হতে পারে।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় আঘাত হানা বিপর্যয়কারী ভূমিকম্পের চার দিন পরও শুক্রবার ধ্বংসস্তুপ থেকে এক ডজনেরও বেশি জীবিত মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২৪ হাজারে ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার রাতে কর্মকর্তারা জানান, ভূমিকম্পে নিশ্চিত মৃত্যু ২৪ হাজার ৩৫২। এছাড়া আহত হয়েছে ৭৯ হাজার ৪৮৭ জন। ফলে এটি এই অঞ্চলে ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। ১৯৯৯ সালের ভূমিকম্পে নিহত হয়েছিল অন্তত ১৭ হাজার লোক।
৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালি ভূমিকম্পের ১০০ ঘন্টা পার হলেও তুরস্ক ও সিরিয়ায় মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই দেশ মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ২২ হাজার ৩৬৮ জন। তবে জাতিসংঘ হুঁশিয়ারি দিয়েছে এই ধ্বংসযজ্ঞের পুরো চিত্র এখনো পরিষ্কার না।
তুরস্ক ও সিরিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ত্রাণ ও পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় সহায়তা হিসেবে বিশ্বব্যাংক বৃহস্পতিবার তুরস্ককে ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা করেছে। যেখানে ২১ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
তুরস্ক ও সিরিয়ার ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। দুই দেশে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৫১ জনে। আরো অসংখ্য লোক এখনো ধ্বংসস্তুপের নিচে চাপা পড়ে থাকায় সংখ্যাটি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চাপা পড়া লোকদের জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা এখন বেশ ক্ষীণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক এবং সিরিয়ায় মৃতের সংখ্যা প্রায ২০ হাজার। তাদের মধ্যে তুরস্কে লাশ উদ্ধার হয়েছে ১৬ হাজার ৫৪৬টি আর সিরিয়ায় উদ্ধার হয়েছে ৩ হাজার ৩১৭টি।