সাতক্ষীরার আশাশুনিতে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে অন্তত ছয়টি গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
প্লাবিত
সাগরের মতো বদলে গেল কুয়ালালামপুরের চোখ। আজ সকাল থেকে কুয়ালালামপুরে একটানা ভারি বর্ষণে বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
রাতভর ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলে ঢুকছে। এতে নদীপাড়সহ আশপাশের নিম্নাঞ্চলে পানি ব্যাপক হারে বাড়ছে।
রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের চরাঞ্চল ছাড়াও কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
ভারী বৃষ্টিপাতে রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় মুম্বাইয়ে স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অতিবৃষ্টি ও প্রবল জোয়ারে বেতনা নদীর ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ গত ৪ দিনেও মেরামত করতে পারেনি স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড
টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে মাত্রই কয়েকদিন আগে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার শিকার হয়েছে পূর্বাঞ্চল; বিশেষ করে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ ১১টি জেলা। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অর্ধকোটিরও বেশি মানুষ। এই বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও নতুন করে শঙ্কা জাগাচ্ছে আরেকটি বন্যা।
নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ও ভারত থেকে আসা উজানের পানিতে কুমিল্লার জেলায় ১০ লাখ ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি আছেন।এর মধ্যে, বুড়িচং উপজেলায় ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় ১ লাখ ৮০ হাজার, নাঙ্গলকোট উপজেলায় ১ লাখ ৭৫ হাজার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ১ লাখ ৯০ হাজার, লাকসামে ১ লাখ ৫০ হাজার, ব্রাহ্মণপাড়ায় ১ লাখ ৫০ হাজার এবং বরুড়ার ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন।
কুমিল্লার লাকসামের ডাকাতিয়া নদী থেকে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে চাঁদপুরের শাহরাস্তি, হাজীগঞ্জ ও সদর উপজেলারয়। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে পানির নিচে। পাশাপাশি থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে পুরো জেলায়। এতে সময় যত যাচ্ছে এসব এলাকার বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে।
ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত দেশের ১১ জেলা।রোববার (২৫ আগস্ট) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে পানিবন্দি হয়েছে ৬৭ হাজার ১২৮টি পরিবার।