বিভাগ

খুলনা বিভাগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে রেকর্ড ১ হাজার ৩৬৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় একদিনে আরও ২৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত অর্ধ লাখ ছাড়াল

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় একদিনে আরও ২৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত অর্ধ লাখ ছাড়াল

এম মাহফুজ আলম: খুলনা বিভাগ করোনায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে মৃত্যুর সারিতে ১৫/২০ জনের উপরে  যোগ হচ্ছে। খুলনা বিভাগের প্রায় সব ক’টি জেলায় ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় করোনা পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে অতি থেকে অতি খারাপের মাত্রা বেড়েই চলেছে।  মৃত্যু আতংক বিরাজ করছে সর্বমহলে। স্বাস্থ্য কর্মীরা চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। অধিকাংশ জেলায় লকডাউন চলছে।

খুলনা বিভাগে করোনায় রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে করোনায় রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যু

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভাগ খুলনায়  গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে শুধু খুলনা জেলায় ১৩ জন। এই সময়ে  বিভাগে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৯০৩ জন।

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৭ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৭ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে এক দিন কম থাকার পর আবার করোনাভাইরাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে। সেই সাথে শনাক্তের সংখ্যাও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের।

পাবনায় পূর্তভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ’লীগ-যুবলীগ নেতাদের শোকজ, দল থেকে অব্যহতি

পাবনায় পূর্তভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ’লীগ-যুবলীগ নেতাদের শোকজ, দল থেকে অব্যহতি

পাবনা প্রতিনিধি: বুধবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে নোটিশ দেয়া হয়। শোকজ প্রাপ্তরা হলেন-পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহসীন রেজা খান মামুন (এম আর খান মামুন) এবং পাবনা সদর উপজেলার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন ওরফে হাজী ফারুক। 

পাবনা গণপূর্ত দপ্তরে ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতাদের অস্ত্রের মহড়া

পাবনা গণপূর্ত দপ্তরে ঠিকাদার আওয়ামী লীগ নেতাদের অস্ত্রের মহড়া

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনায় গণপূর্ত বিভাগের কার্যালয়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পেশায় ঠিকাদার, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা কেন এমন কান্ড ঘটিয়েছেন সে বিষয়ে মুখ খুলছেন না গণপূর্ত বিভাগে কর্মরতরা। করেননি লিখিত অভিযোগও।