রাজধানীর সদরঘাটের মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনা শুধু দুটি প্রাণই কাড়েনি, ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে একটি পরিবারের ভবিষ্যৎও। ছেলে সোহেল ফকিরের কবরের পাশেই এবার শায়িত হলেন তার বাবা মিরাজ ফকির।
লঞ্চ
মুন্সিগঞ্জে লঞ্চ থেকে নামতে গিয়ে ধলেশ্বরী নদীতে পড়ে যাওয়া এক যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে বুড়িগঙ্গা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ৪৯ ঘণ্টা পর নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। দীর্ঘ সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এবারের ঈদযাত্রায় বড় ধরনের কোনো অনিয়ম সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ঘটেনি বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি জানান, বুধবারের দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় নিহতের ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি লঞ্চের রুট পারমিটও বাতিল করা হয়েছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেঘনা নদীতে ঘাটে অবস্থানরত কর্নফুলী-১২ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মৎস্য বিভাগের একটি স্পিডবোটডুবির ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে এক লঞ্চে ধাক্কা দিয়েছে আরেক লঞ্চ। এতে একজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় কোস্ট গার্ডের উদ্ধারকারী দল যাত্রীদের নিরাপদে ভোলা ইলিশা ঘাটে পৌঁছে দেয়।
আজ থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি। গতকাল শেষ কর্মদিবস থাকায় বিকালের পর থেকেই রাজধানীর বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে ঈদের ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে।
ঈদের সময় সদরঘাটের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে বসিলা ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।