শীতের সকালে একটু উষ্ণতা পেতে স্যুপ খেতে পারেন। কয়েকটি উপকরণ দিয়ে রান্না করতে পারেন ‘আলুর স্যুপ’।
শীতে
শীতের হিমেল হাওয়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঘরে ঘরে এখন সর্দি-কাশি আর জ্বরের প্রকোপ। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কেবল গরম কাপড় পরলেই হবে না, বরং ভেতর থেকে শরীরকে উষ্ণ ও রোগমুক্ত রাখা জরুরি। বিশেষ করে সকালের খাবারে যদি সঠিক পুষ্টি থাকে, তবে তা সারা দিনের কাজের শক্তি জোগানোর পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও শক্তিশালী করে।
সমুদ্র উপকূলীয় পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। শুক্রবার সকাল থেকে পুরো এলাকা ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে। বেলা ১১টা পর্যন্তও সূর্যের দেখা মেলেনি। ফলে দিনের বেলাতেও যানবাহন চলাচল করতে হচ্ছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। হিমেল বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
চুয়াডাঙ্গায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হওয়ায় কনকনে ঠান্ডা, হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশায় এ অঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ রাত অত্যন্ত বরকতপূর্ণ সময়। এ সময় বান্দার প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। আল্লাহ তায়ালা শেষরাতে বান্দাদের ডাকতে থাকেন। এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, শেষ রাতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আছে কি কেউ, যে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব।
কুড়িগ্রামে দিন যতই যাচ্ছে ততই শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। পৌষের প্রথম দিকেই ঘন কুয়াশা এবং হিমেল হাওয়াসহ শীতের তাণ্ডব কুড়িগ্রামের জনজীবনকে অস্বাভাবিক করে তুলেছে।
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সন্ধ্যার পরের হিমেল বাতাস শীতকে বাড়িয়ে তুলছে কয়েকগুণ।
দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায় হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এক দিনের ব্যবধানে আবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেলাটিতে।
পৌষের শুরুতেই দেশের উত্তরাঞ্চলে জেঁকে বসেছে শীত। হিম শীতল বাতাসের সঙ্গে দেখা দিয়েছে কুয়াশার দাপট। কনকনে ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে লালমনিরহাটের জনজীবন
টানা এক সপ্তাহ ধরে পশ্চিমা বাতাসের প্রভাবে জয়পুরহাটে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বুধবার