ইসরাইলের ভেতরে ঢুকে হামলা চালানো গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের যোদ্ধারা নতুন করে অস্ত্রের সরবরাহ পেয়েছে। তারা দক্ষিণ ইসরাইলের আরো নতুন স্থানে পৌঁছে গেছে।
হাম
আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে ইসরায়েলের উপর আকস্মিক আক্রমণ চালিয়েছিল মিশর ও সিরিয়া। যা ইওম কিপুর যুদ্ধ নামে পরিচিতি পায়।
গাজাভিত্তিক প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস যোদ্ধারা এখনো ইসরাইলের ভেতরে বিভিন্ন এলাকায় লড়াই করে যাচ্ছে। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া লড়াইয়ে এ পর্যন্ত তিন শতাধিক ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
শনিবার সকাল থেকে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ৫ হাজারেরও বেশি রকেট হামলা চালায়।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলায় ইসরায়েলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৫২ জন। এর মধ্যে ১৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং ২৬৭ জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর বিবিসি।
গত কয়েক বছরের মধ্যে ইসরায়েলে সবচেয়ে বড় আক্রমণ চালিয়েছে হামাস। এ হামলার বিষয়ে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠী হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-অরোরি বলেছেন, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য তার দল যুদ্ধ শুরু করেছে।
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হামলায় অন্তত ২২ ইসরাইলি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলের জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা এ সংখ্যার কথা জানায়।
গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে ঘেঅষণা করেছে। তারা প্রথমবারের মতো ইসরাইলের কয়েকটি শহরে ঢুকে ইসরাইলি সৈন্য ও সামরিক যান জব্দ করার ঘোষণা দিয়েছে। এর জবাবে ইসরাইলও গাজায় হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে।
ইউক্রেনের খারকিভে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এ হামলায় ১০ বছরের এক ছেলে ও তার দাদি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বন্দরনগরী ওডেসাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শস্য গুদাম।
পাকিস্তানে আন্তঃসীমান্ত হামলার আগের চেয়ে বেড়েছে। এর জন্য প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানে লুকিয়ে থাকা তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) নেতাদের দায়ী করেছেন তিনি।