৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা কবে থেকে শুরু হবে, তা বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেবে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। ওইদিন পিএসসির ওয়েবসাইটে পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হবে। সোমবার (৮ জানুয়ারি) পিএসসির কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
- কোভিড-১৯ টিকার ভুয়া সনদ নেওয়ায় দল থেকে বাদ সুইজারল্যান্ডের অধিনায়ক
- * * * *
- খিলগাঁও থানায় ওসিসহ দুই পরিদর্শককে বদলি
- * * * *
- আগামীকাল ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানীর যেসব এলাকায়
- * * * *
- জাপানে ধেয়ে আসছে টাইফুন ‘দুজুয়ান’, বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা
- * * * *
- মাথাভাঙ্গা নদী থেকে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
- * * * *
বিসিএস
৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে। আগামী ১০ জানুয়ারির মধ্যে লিখিত পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
৪৬তম বিসিএসের আবেদন প্রক্রিয়া আজ রোববার (৩১ ডিসেম্বর) শেষ হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার ৪৩তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হয়েছে। এতে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারে মোট ২ হাজার ৮০৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
৪৩তম বিসিএসের ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এ বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে ২,৮০৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চাহিদায় অতিরিক্ত আরও ৪০৪ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি)।
৪৩তম বিসিএসের নন-ক্যাডারে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এই বিসিএস থেকে ৯-১২তম গ্রেডের এক হাজার ৩৪২টি পদে জনবল নিয়োগের সুপারিশ করা হবে।
দেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল আকাঙ্ক্ষিত চাকরির নাম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)। ইতোমধ্যেই ৪৬তম বিসিএসের বিভিন্ন ক্যাডারে তিন হাজার ১৪০ পদের আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে। অনলাইনে এই আবেদন চলবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
৪৬তম বিসিএস পরীক্ষার আবেদন শুরু হয়েছে। আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বিসিএসে মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও অনেকে ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ পান না। ফল প্রকাশের পর ক্যাডাররা খুশিতে আত্মহারা হন। অথচ পরীক্ষায় ভালো করা সত্ত্বেও শূন্যপদ না থাকায় নন-ক্যাডারের অপেক্ষায় থাকতে হয় অনেককে। এতে হতাশায় ভোগেন তারা।