ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে। দুনিয়ার সব খারাপ ও অন্যায় কাজ থেকে মানুষকে রক্ষা করে নামাজ।
ইসলাম
অহংকার একটি ঘাতক ব্যাধি। পবিত্র কোরআনে নানাভাবে চিত্রিত হয়েছে এই ঘাতক ব্যাধির কথা। একে ঘাতক ব্যাধি বলা হয়, কারণ তা মানুষের অন্তর্জগৎকে তিলে তিলে শেষ করে দেয়। আর এর পরকালীন ক্ষতি তো রয়েছেই। এই অহংকার শয়তানকে ‘শয়তানে’ পরিণত করেছে, অভিশপ্ত করে দিয়েছে, আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত করেছে।
হজ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ, তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতয় ফরজ ইবাদত। হজ আরবি শব্দ। আভিধানিক অর্থ হলো কোনো মহৎ কাজের জন্য দৃঢ় ইচ্ছা বা সংকল্প করা। হজ মুসলমানদের দুনিয়া ও আখিরাতে সম্মান ও ইজ্জতের আসন দান করে, সৌভাগ্যের দ্বার খুলে দেয় প্রকৃত হাজির জীবনে।
জাকাত ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি এবং এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত। পবিত্র কোরআনে জাকাতের ব্যয়ের খাতগুলো সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সমাজে প্রায়ই একটি প্রশ্ন ওঠে- অত্যন্ত দরিদ্র কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার দাফন-কাফন বা কবরের খরচ কি জাকাতের অর্থ থেকে মেটানো যাবে?
মসজিদ পৃথিবীর সর্বোত্তম স্থান। একজন মুমিনের জীবনে মসজিদের গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সঠিক জ্ঞানের অভাব বা অসচেতনতার কারণে মসজিদে প্রবেশ ও অবস্থানের সময় আমরা এমন কিছু ভুল করে বসি, যা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করে এবং আমাদের ইবাদতের সওয়াব কমিয়ে দেয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইউটিউবে স্ক্রল করলেই প্রায়ই চোখে পড়ে- ‘এই দোয়াটি শেয়ার করলে আজই সুখবর পাবেন’ বা ‘অমুক আমল করলে হাজার বছরের সওয়াব’- এমন নানা চটকদার বার্তা।
ইসলাম অভিবাদনের শিক্ষা দিয়েছে সালামের মাধ্যমে। সালামে রয়েছে অন্যের জন্য প্রশান্তি ও রহমতের প্রার্থনা। একজন মুসলিম যখন অন্য মুসলিমকে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে সালাম দেন, তখন তিনি মূলত আল্লাহর কাছে তার শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ প্রার্থনা করেন।
দুনিয়াতে এমন কোনো কাজ নেই যা সমাধা করার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না। যে কাজের গুরুত্ব যত বেশি সে কাজের প্রস্তুতিও তত গুরুত্বের দাবি রাখে।
মুমিনের জন্য শ্রেষ্ঠ ইবাদত নামাজ। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের ৮২ বার নামাজ প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘আর তোমরা আমার স্মরণার্থে নামাজ কায়েম করো।’ (সুরা ত্বহা: আয়াত ১৪)। নামাজের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফরজ কাজ ‘রুকু’ করা। রুকুতে রয়েছে কয়েকটি তাসবিহ ও দোয়া। যা নবীজি (সা.) রুকুতে গিয়ে বার বার পড়তেন।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে। দুনিয়ার সব খারাপ ও অন্যায় কাজ থেকে মানুষকে রক্ষা করে নামাজ।
মৃত্যুর পর মৃতদেহকে সোজা ও স্বাভাবিক অবস্থায় রাখা সুন্নাহসম্মত। তবে পায়ের আঙুল বেঁধে রাখা কি শরিয়তের নির্দিষ্ট কোনো বিধান, নাকি কেবল একটি প্রচলিত ব্যবহারিক প্রথা এ বিষয়ে ফিকহি গ্রন্থসমূহের আলোকে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা।
দৈনন্দিন জীবনে খাবার বা পানীয় খুব বেশি গরম হলে আমরা তাড়াহুড়ো করে তাতে ফুঁ দিয়ে থাকি। সাধারণ দৃষ্টিতে এটি স্বাভাবিক অভ্যাস মনে হলেও ইসলামি শরিয়তে এ বিষয়ে সুন্নাহ ও সতর্কতা রয়েছে। প্রিয়নবী (স.)-এর এই সূক্ষ্ম নির্দেশনার মাঝে যে গভীর বরকত ও স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিহিত, আধুনিক বিজ্ঞানও এর যৌক্তিকতা সমর্থন করছে।
ফজর ও জোহর নামাজে কেউ যদি সুন্নতে মুয়াক্কাদা না পড়ে ফরজ পড়ে ফেলে, তাহলে সেই ব্যক্তি নামাজের সময় বাকি থাকাবস্থায় সুন্নত আদায় করতে পারবে কি না?
ইসলামি শরিয়তে ইবাদতের জন্য সময়ের পবিত্রতা ও সতর্কতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে ফজর নামাজের ক্ষেত্রে সময়ের বাধ্যবাধকতা খুবই সংবেদনশীল। সূর্যোদয়ের ঠিক কত সময় আগে ফজর সম্পন্ন করা নিরাপদ এবং সূর্যোদয় শুরু হয়ে গেলে নামাজের হুকুম কী- এসব বিষয়ে পবিত্র কোরআন-সুন্নাহ ও ফুকাহায়ে কেরামদের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
পিরিয়ডের সময় জিকির করা যায়, দোয়া করা যায়, কোরআন-হাদিসে বর্ণিত দোয়া ও দরুদ পড়া যায়। তবে পিরিয়ডের সময় কোরআন তিলাওয়াত করা থেকে বিরত থাকতে হয়। এ সময় কোরআন তিলাওয়াত করা নিষিদ্ধ।
মানুষের অন্তরে অশান্তির অন্যতম বড় কারণ হলো নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা। অন্যের প্রাচুর্য, সৌন্দর্য, শক্তি বা সামাজিক অবস্থান দেখলে নিজের প্রাপ্তিকে তুচ্ছ মনে হওয়া।