ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন বলে লাগাম টানতে হয়েছে ভাত ও রুটি খাওয়ায়। রোজ রোজ সকালে তাই রুটির বদলে কী খাওয়া যায় সেটা ভাবতে হচ্ছে।
আলু
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে আলু ও পেঁয়াজের দাম। কেজিপ্রতি দেশি নতুন জাতের আলু ২০ টাকা কমে ৩০ টাকায় এবং ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমে ৪৫ টাকায় ও দেশি পেঁয়াজ ৫ টাকা কমে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
রুটি বা পরোটার স্বাদ যদি একটু ভিন্ন করা যায় তাহলে কেমন হয়! স্বাদ বদলে একদিন খেয়ে দেখুন আলু পরোটা।
তিন দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ ও দেশি আলুর দাম। ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ১০ টাকা কমে ৪৫ টাকায় এবং দেশি নতুন জাতের আলু ৩০ টাকা কমে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
তিনদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলির খুচরা বাজারে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত আলু এবং পেঁয়াজের দাম। ভারতীয় আলু কেজি প্রতি ৫ টাকা কমে ৬০ টাকা এবং দেশি আলু ৫ টাকা কমে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ১০ টাকা কমে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও বাংলাদেশে আলু রপ্তানিতে স্লট বুকিং বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সংকটে অভ্যন্তরীণ দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে রোববার (১ ডিসেম্বর) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। ফলে পেঁয়াজসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও আলু আমদানি বন্ধ রয়েছে।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু এবং পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবুও পাইকারি বাজারে কমছে না এসব নিত্যপণ্যের দাম। হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি মোকামে ভালো মানের পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় এবং একটু নিম্ন মানের পেঁয়াজ ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ ও আলুর আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে।
ভারতের অভ্যন্তরে উৎপাদিত আলু ও পেঁয়াজ অন্য দেশে সরবরাহ করবে না বলে রপ্তানিতে স্লট বুকিং বন্ধ করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। এতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আলুর দাম আরও বেড়েছে। গত সপ্তাহে দুই দফা বেড়ে হয়েছে প্রতি কেজি ৮০ টাকা, যা আগে ছিল ৭০ টাকা। আর গত মাসে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৬০ টাকা। একই সঙ্গে কিছু সবজির দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়তি দেখা গেছে।