ভারতের অভ্যন্তরে উৎপাদিত আলু ও পেঁয়াজ অন্য দেশে সরবরাহ করবে না বলে রপ্তানিতে স্লট বুকিং বন্ধ করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। এতে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু ও পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।
আলু
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আলুর দাম আরও বেড়েছে। গত সপ্তাহে দুই দফা বেড়ে হয়েছে প্রতি কেজি ৮০ টাকা, যা আগে ছিল ৭০ টাকা। আর গত মাসে প্রতি কেজি আলুর দাম ছিল ৬০ টাকা। একই সঙ্গে কিছু সবজির দামও কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা বাড়তি দেখা গেছে।
প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ আলু ত্বকের যত্নে অতুলনীয়।
বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪০ টাকা কেজি ধরে আলু বিক্রি করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। একজন সর্বোচ্চ তিন কেজি আলু কিনতে পারবে। বুধবার (২০ নভেম্বর) এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
যেসব কোল্ড স্টোরেজে আলুর মজুদ রয়েছে সেগুলোতে অভিযান চালানোর জন্য জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে বেসরকারি ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি’ (সিসিএস) ও এর যুব শাখা ‘কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ’ (সিওয়াইবি) এর স্বেচ্ছাসেবীরা।
কার্তিক মাসের শেষে এসে রাজধানীর বাজারগুলোয় বেড়েছে শীতকালীন সবজির সরবরাহ। এর ফলে আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। পুরোনো আলুর দাম কেজিপ্রতি ফের ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে।
বাজারে স্বস্তি ফেরাতে অন্তর্বর্তী সরকার নানা উদ্যোগ নিলেও ‘দামের উত্তাপ’ এখনও আগের মতোই। ভোক্তাদের অভিযোগ চাল, পেঁয়াজ ও আলুতে শুল্ক প্রত্যাহার করা হলেও তার প্রভাব নেই বাজারে। এসব তাদেরকে বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে।
আলু ভর্তা কমবেশি সবাই খান। তবে একঘেয়েমি আলু ভর্তা খেয়ে যারা বিরক্ত হয়ে গেছেন তারা চাইলে ভিন্নভাবে তৈরি করতে পারেন এটি।
দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় দিনাজপুর হাকিমপুর উপজেলার হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় নতুন আলু আমদানি শুরু হয়েছে।
গরম ভাতের সঙ্গে ভর্তা খাওয়ার মজাই আলাদা। আলু ভর্তা তো প্রায়ই সবার খাওয়া হয়। আবার ডিম ভর্তাও অনেকেরই পছন্দের।