বিকেলের নাস্তায় মুখরোচক কিছু খেতে ইচ্ছা হয় আমাদের প্রায় সবারই। বৃষ্টিভেজা বিকেল হোক কিংবা শীতের সন্ধ্যা, এককাপ চায়ের সঙ্গে এ ধরনের খাবার হলে জমে যায় বেশ। আপনার বাড়িতে যদি পাউরুটি থাকে তবে খুব সহজেই একটি নাস্তা তৈরি করে খেতে পারবেন।
রেসিপি
মাংস দিয়ে তৈরি যেকোনো কাবাবই খেতে বেশ সুস্বাদু হয়। স্বাদের দিক থেকে বরাবরই গরুর মাংসের কাবাব একটু বেশি এগিয়ে থাকে। তার সঙ্গে যদি যোগ হয় শাহী স্বাদ, তাহলে তো কথাই নেই। বাড়িতে থাকা কিছু উপকরণ দিয়ে বেশ সহজ পদ্ধতিতে তৈরি করতে পারবেন শাহী বিফ কাবাব।
সমুচা খেতে পছন্দ করি আমরা অনেকেই। অতিথি আপ্যায়নে, বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা বিকেলে চায়ের সঙ্গে সমুচা হলে জমে বেশ। চিংড়ির পুর দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু সমুচা। এটি তৈরি করা সহজ এবং সময়ও কম লাগে। চিংড়ি দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবারই বেশ সুস্বাদু।
ক্লান্ত দুপুরে ভাতের সঙ্গে যদি থাকে সর্ষে তেলের ঝাঁঝ আর ছোট মাছের ঘরোয়া স্বাদ, তাহলে খাবারের তৃপ্তি যেন কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
সন্দেশ খেতে কে না পছন্দ করেন! বিশেষ করে মিষ্টিপ্রেমীদের কাছে সন্দেশ একটি লোভনীয় নাম।
সাবুদানা দিয়ে তৈরি করা যায় দারুণ সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ডেজার্ট।
আনারস শুধু রসালো ও সুস্বাদু একটি ফলই নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, ফাইবার, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস।
পাকা আম দিয়ে নানা স্বাদের আইসক্রিম তৈরি করা যায়। তবে সবচেয়ে সহজ এবং সুস্বাদু সম্ভবত এর মালাই আইসক্রিম তৈরি করা। এটি দেখতেও বেশ আকর্ষণীয় হয়। আপনার বাড়িতে যদি পাকা আম থাকে তাহলে আজই তৈরি করে খেতে পারেন পাকা আমের মালাই আইসক্রিম।
বর্ষা ও গ্রীষ্ম মৌসুমে সহজলভ্য কাঁঠালের বিচি এবং পাটশাক দিয়ে তৈরি করা যায় দারুণ সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি ভাজি। স্বল্প উপকরণে রান্না করা এই পদটি ভাতের সঙ্গে খেতে যেমন মজাদার, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী।
বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানা রঙের, নানা স্বাদের পাকা আম। সুমিষ্ট ও রসালো এই ফল খেতে পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুব কমই আছে। এমনিতে তো খাওয়া হয়ই, পাকা আম দিয়ে নানারকম সুস্বাদু খাবার তৈরি করে খেতে পছন্দ করেন অনেকেই।