ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে দেশে হুট করে বাড়ছে নির্দিষ্ট পণ্যের দাম। পেঁয়াজ, চিনি, মুরগি, ডিমের পরে বর্তমানে আলুর বাজারে অস্থিরতা বিরাজমান।
আলু
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, আমরা দেখছি, দু-তিন দিনের মধ্যে আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে না এলে আমদানি করা হবে। বাণিজ্যমন্ত্রী ও সচিব এখন বিদেশে। গতকাল রাতেও (রোববার) মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আমার এ বিষয়ে কথা হয়েছে।
দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে আলু আমদানি করবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান।
মুন্সীগঞ্জের হিমাগার থেকে প্রতিকেজি আলু ২৭ টাকা দামে ক্রয় করে ২৫০ বস্তা সরকারি দামে বিক্রির জন্য চট্টগ্রামে পাঠিয়েছিলেন বেপারি।
সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে ডিমের মতো আলুও আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে আলুর দাম। কেজি প্রতি প্রকারভেদে ২ থেকে ৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে কাটিলাল আলু কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৩৮ টাকায় এবং গুটি আলু কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা দরে। আলুর সরবরাহ কমের কারণে বেড়েছে দাম বলছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
জয়পুরহাট জেলায় চলতি বছর আলুর চাষ হয়েছে ৩৮ হাজার ৬২৫ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন হয়েছে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৭৬০ টন। জেলায় চাহিদা মাত্র ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টন। অথচ খুচরা বাজারে এক মাসের ব্যবধানে কেজিপ্রতি আলুর দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন সূত্র জানায়, নতুন ও বড় জাতের আলুর চাহিদা দেশ-বিদেশে। আলু দিয়ে তৈরি হয় মুখরোচক চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। এ বছর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ২০০ টন শেরপুরের আলু রফতানি হবে মালয়েশিয়া, রাশিয়া ও শ্রীলঙ্কায়।
মাষকলাইয়ের ডালের সঙ্গে আলু পোস্ত জুটির জনপ্রিয়তা চিরকালীন। শীত শেষে গরমের ভাব পড়তে শুরু করেছে। হালকা গরমের দুপুরে পাতিলেবুর রস চিপে ডাল আর আলুপোস্ত খাওয়ার মজাই আলাদা।
সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, রজোঃবন্ধের পর নারীদের হাড় ক্ষয় রোধ করতে পারে আলুবোখারা।