সুনামগঞ্জে এক রাতের ভারী বর্ষণে জেলা শহরে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে অনেকগুলো ব্যস্ততম সড়ক। পানি ঢুকেছে কোনো কোনো বাসাবাড়িতেও। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন শহরের মানুষ। এদিকে, ভারি বৃষ্টিপাত আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি।
- নাশকতায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবহার হচ্ছে কি না দেখা দরকার: ইশরাক
- * * * *
- মেঘনায় ৩ স্কুলছাত্রের মৃত্যু, বাল্কহেড ঘিরে নানা প্রশ্ন; আটক ৪
- * * * *
- জুলাইয়ের রক্তের বিনিময়ে পাওয়া গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক
- * * * *
- চট্টগ্রামে অস্ত্র মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
- * * * *
- যমুনায় পানি বাড়তেই শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন, নদী এগোচ্ছে বসতির দিকে
- * * * *
নদী
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে মো: নাঈম মিয়া (২২) নামে এক কলেজশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৩০ জুন) দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্ত্রী ও চার বছর বয়সী মেয়েকে নিয়ে নদীর পাড়ে ঘুরতে বের হন। এ সময় অসাবধানতাবশত তাঁদের মেয়ে নদীতে পরে গেলে তাকে উদ্ধারের জন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনই নদীতে ঝাঁপ দেন।
বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি নদ-নদীর পানি এখন বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি। উজানের ঢলে উত্তরের বেশ কয়েকটি নদীর পানি গত কয়েক দিনের মধ্যেই অনেকটা বেড়েছে। নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে জামালপুরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে ইসলামপুর, মেলান্দহ, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি ও মাদারগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাটেশ্বরীর সোনাহাট রেলসেতু পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। এছাড়াও জেলার ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বেড়েছে। তবে আবারও বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তা নদীর পানি। ইতোমধ্যে পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে সবগুলো নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে পানি বাড়ছে তিস্তা ও দুধকুমার নদীতে এবং নদীর চরসমূহে পানি উঠে চরে বসবাসকারীদের বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে।
সোমবার দুপুর ১২টা থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে ৫০ সেন্টিমিটার ও কাজিপুর পয়েন্টে ৪২ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
উজানে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।রোববার (১৮ জুন) রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বাড়তে থাকে এবং আজ সোমবার সকাল ৬টার পর বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।